আমাদের ভারত, ১৬ জুন: “স্কুল খোলা হোক দ্রুত। যে কোনো পরিস্থিতিতেই যেন শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্থ না হয় আর। প্রয়োজনে সময়সূচি বদলাক। সময় কমানো হোক। তবু শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ থেকে কিছুতেই বঞ্চিত করা যাবে না। তার জন্য পথে নামতে হলে আমরা নামবো।“
বৃহস্পতিবার এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সন্দীপ ঘোষ। এই প্রতিবেদককে তিনি জানান, “করোনার অতিমারিতে শিক্ষাঙ্গনহীন শিশুদের শিক্ষা ও মনোজগত ভয়ংকর রকমের ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিগত দুবছরে। সেই ক্ষত একটু একটু করে সারিয়ে উঠছি যখন সকলে তখন আবার গরমের কারনে সারা বাংলা জুড়ে আরও একবার অতিরিক্ত ছুটি!
এটা সবাই জানে ও মানে যে একটি উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষার অধিকার সর্বাগ্রে হওয়া উচিত। বহু লড়াই ও টালবাহানার পর এখানে তো তা শিশুদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু বাস্তবে কী দেখছি? অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা সব থেকে কম অনুভব করছেন আমাদের এ রাজ্যের সরকার। আবার অন্যদিকে বন্ধ স্কুলের সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে অনলাইন শিক্ষা ও তার সাথে যুক্ত ব্যবসায়ী সংস্থাগুলি।
তাহলে কী দাঁড়ালো? সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল যারা, তাদের মৌলিক অধিকার খর্ব হল সরকারি নীতির কারনে। আমরা মনে করি এটা এই প্রজন্মের সাথে প্রতারণাই শুধু নয়, ভবিষ্যতের রাজ্য তথা দেশকে অন্ধকারের দিকে প্রবলভাবে ঠেলে দেওয়ার একটি কৌশলও। যা নিষ্ঠুরতম অপরাধের মধ্যে একটি বলে মনে করি। সংগঠনগতভাবে এটাই আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য।”

