আমাদের ভারত, ৫ সেপ্টেম্বর: শিক্ষক দিবসকে গুরুত্ব দিয়ে শ্রীশচন্দ্র কলেজের বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক অয়ন চট্টোপাধ্যায় গণদর্পণের মাধ্যমে মরণোত্তর দেহদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হলেন। সোমবার এ খবর জানান, সমাজসেবী সংগঠন ‘গণদর্পন’-এর অন্যতম পুরোধা শ্যামল চ্যাটার্জি।
এই সঙ্গে শ্যামলবাবু জানান, এদিন কল্যাণী চক্রবর্তির মৃতদেহ এন আর এস মেডিক্যাল কলেজের অ্যানাটমি বিভাগে দান করা হয়। তিনি এই বছরের জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখে গণদর্পণের মাধ্যমে মরণোত্তর দেহদানে অঙ্গীকারবদ্ধ হন। রবিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ
সল্টলেক করুণাময়ীর বাসিন্দা কল্যাণী চক্রবর্তি ৭৮ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে মারা যান। এর পর তাঁর পুত্র চিত্রভানু গণদর্পণের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আরআইও-এর মাধ্যমে কল্যাণী দেবীর চোখ সংগ্রহ হলেও রবিবার বলে মরণোত্তর দেহদান সম্ভব হয়নি। তা হল সোমবার।
বিপরীত ধর্মী ঘটনার খবরও এদিন পাওয়া গিয়েছে। শ্যামলবাবু জানান, রবিবার হাবড়া নিবাসী বীথিকা ঘোষ ৭১ বছর বয়সে মেডিকা নার্সিংহোমে বেলা ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ মারা যান। ওনার পরিবার গণদর্পণের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গণদর্পণের সহযোগিতায় আরআইও-র মাধ্যমে বীথিকা দেবীর চোখ সংগ্রহ হয়। সোমবার ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজের অ্যানাটমি বিভাগে ওনার মৃতদেহ দান করার সমস্ত ব্যবস্থা ঠিক হলেও পরিবারের কিছু জনের বিরোধিতায় মৃতদেহ দান করা সম্ভব হল না।

