আমাদের ভারত, ২ ফেব্রুয়ারি: বিজেপির প্রচারে তিন মৌলিক বিষয়ের উপর জোর দিতে পরামর্শ দিয়েছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। সামাজিক মাধ্যমে এই পোস্ট আসার এক দিনের মধ্যে, সোমবার দুপুরে ৫০টির ওপর প্রতিক্রিয়া এসেছে। রয়েছে নেটনাগরিকদের সমর্থন ও বিরোধিতা— দু’রকম জবাবই।
তথাগতবাবু এক্সবার্তায় লিখেছেন, “নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডের মত তাৎক্ষণিক বিষয়ের পাশাপাশি বিজেপির প্রচারে এইবার মৌলিক বিষয়গুলির উপর জোর দিতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গে মৌলিক ইস্যু তিনটি: এক, দুর্নীতি; দুই, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি; তিন বেকারী। রাজ্যের মানুষের গোচরে আনতে হবে যে প্রথম দুটি তৃণমূলেরই সৃষ্ট; এবং তৃতীয়টির সমাধান এরা কোনদিন করতে পারবে না।”
প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বনাথ লাহিড়ি লিখেছেন, “জীবন্ত দগ্ধ হওয়া অর্ধশতাধিক বাঙালি প্রাণের জন্য বিচার চাওয়ার ক্ষেত্রে কী অদ্ভূত উদাসীনতা! যদি তৃণমূল ক্ষমতায় ফেরে তবে সর্বনাশের বাকী পথ অনায়াসেই অতিক্রম্য হবে। যদি কালবৈশাখি’র মতো ঝড়ে বিজেপি আছড়ে পড়ে তবে বাকি পথ যাওয়ার আগে কফিনবন্দি হয়ে যাবে বাঙালির ভাগ্য। আর যদি সিপিএম কোনও ভাবেই দাঁত ফোটাতে পারে আবার তবে নৌশাদ সিদ্দিক্কী, হুমায়ুন কবিরদের রবরবা হবে এবং নিজের রক্তে ভারত স্বাধীন করা বাঙালির ন্যারেটিভ তৈরী হবে পড়শি ঢাকা থেকে। আর এই বাংলাপক্ষ আত্মঘাতী প্রবণতায় বাতাস করে চলেছে ক্রমান্বয়ে। আমি আবার বলবো বঙ্গে বাঙালির শত্রু তিন। অবাঙালি, মুসলমান, আর কম্যুনিস্ট। আমাদের অগণিত বাঙালি হিন্দু পুর্বপুরুষদের প্রাণ ও রক্তের অঝোর ঝরণের বিনিময়ে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত ভারত নামে দেশে নিজেদের মর্যাদার শর্তে অধিবাস আমাদের জন্মগত অধিকার। সেই অধিকার জন্মজন্মান্তর ধরে নিষ্কন্টক ভোগ করার পথের সমস্ত প্রতিবন্ধক উপড়ে ফেলার জন্য দুর্বার লড়াইয়ে পথে নামতে হবে। আর সেই লড়াইয়ের ময়দান থেকে দূরে রাখতে হবে অবাঙালি মুসলমান আর কম্যুনিস্ট’দের।”
অন্যদিকে, সুবাস ঘোষ লিখেছেন, “দেশের মানুষ এমনিই টের পাচ্ছে, বিজেপির শাসন কালে দেশেরই সবচেয়ে বেকার, রিপোর্ট সেটাই বলছে। টাকার মূল্য তলানিতে। মূল্যবৃদ্ধি শীর্ষে। দুর্নীতি শীর্ষে। কাজেই বিজেপির চিঁড়ে ভিজবে না”

