তিরঙ্গা যাত্রায় বাধা, জাতীয় পতাকার অবমাননা ও রাষ্ট্র বিরোধীতার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে, হাইকোর্টে যাচ্ছেন শুভেন্দু

আমাদের ভারত, ১৩ আগস্ট: তিরাঙ্গা যাত্রায় বার বার পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছিলেন বিরোধী দলনেতা। আগামী ১৬ আগস্ট পুলিশি বাধা প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী বলে জানা গেছে।

গতকাল নন্দীগ্রামে তিরাঙ্গা যাত্রার সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর। এদিনও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একাধিক জায়গায় পুলিশি বাধার সম্মুখীন হতে হয় শুভেন্দুকে। এরপর শনিবার হাওড়ায় তিরাঙ্গা যাত্রায় অংশ নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে শুভেন্দু গুরুতর অভিযোগ করেন। জাতীয় পতাকার অবমাননার পাশাপাশি রাষ্ট্রবিরোধী পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ বলে তাঁর অভিযোগ।

নন্দীগ্রামে হর ঘর তিরাঙ্গা কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজ্য পুলিশের ডিজি সহ রাজ্যের ৩ আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছেন শুভেন্দু। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী ১৩-১৫ আগস্ট পর্যন্ত স্বাধীনতার ৭৫ বছরপূর্তি উপলক্ষে ঘরে ঘরে জাতীয় পতাকা লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সেই কর্মসূচির প্রচারেরই নন্দীগ্রামে মিছিল বের করেন তিনি। স্বেচ্ছায় বহু মানুষ মিছিলে যোগ দেন। মিছিলে কোনো রাজনৈতিক পতাকা ছিল না। রাজনৈতিক স্লোগানও দেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও অনুমতি না থাকার অজুহাতে মিছিল বন্ধ করে দেয় পুলিশ বলে অভিযোগ।

৩ আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে শুধু অভিযোগ করেছেন তাদের মধ্যে ডিজি ছাড়াও রয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এসপি অমরনাথ কে এবং হলদিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্রদ্ধা এন পান্ডে। আইপিএস অফিসার জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান করেছেন বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেন, ভারতের পতাকা হাতে নিয়ে যাত্রা আর ভারত মাতা কি জয় বলা এই দুটোই কি এই রাজ্যে এখন নিষিদ্ধ? তার অভিযোগ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে মিছিলে বাধা দিয়েছিলেন হলদিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তার অভিযোগ পুলিশ সুপারকে দিয়ে মিছিল বন্ধ করিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি যিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে চলেন বলে দাবি শুভেন্দুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *