আমাদের ভারত, ৭ জুন: আদালতের নির্দেশে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কাজ করছে তাদের সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। আদালতের নির্দেশই তদন্ত এগোবে। ইডি সিবিআইকে দেওয়া কোন তথ্য শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এসেছে বলে অভিষেকের দাবিকে নস্যাৎ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, কালীঘাটের কাকু কালীঘাটের ডাকুকে বাঁচাতে পারবে না। আমাদের সঙ্গে সিবিআইয়ের কোনো যোগাযোগ নেই। আমরা রাখতেও চাই না। যা তদন্ত হচ্ছে আদালতের নির্দেশে হচ্ছে। আদালত যে ভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবেই তদন্ত হবে। ”
সোমবারই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করার পর সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে কি করে তথ্য যাচ্ছে? এমন কোনো তথ্য বাইরে এসেছে তার কোনো প্রমাণ নেই বলেই দাবি করেছেন সুকান্ত। এরপরই তিনি বলেন, উনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) কতবার বিদেশে গিয়েছেন সে তথ্য তো জনসাধারণকে জানানো উচিত।
বিরোধী দলনেতার দাবিকে সমর্থন করে সুকান্ত জানিয়ে দিয়েছেন, “আমাদের বিরোধী দলনেতা দেখিয়েছেন যে একজনের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ থাইল্যান্ডের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। এই তথ্য যদি সত্য হয় তাহলে অবশ্যই তাকে জবাব দিতে হবে। তিনি বলেন, “আজকে আমার নামে বিদেশে কোনো অ্যাকাউন্টে যদি টাকা জমা পড়ে তাহলে আমাকে তার জবাব দিতে হবে। সেই টাকা কে জমা দিয়েছে কেন জমা দিয়েছে? পৃথিবীতে এত নিঃস্বার্থ পরোপকারী লোক আছে নাকি?
রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি তলব করার বিষয়ে সুকান্ত বলেন ওর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করা আছে। লুক আউট নোটিশ থাকলে অনুমতি নিয়ে বিদেশে যেতে হয়। কেন তিনি বিদেশ যেতে চেয়েছিলেন আমি জানি না। তবে তাদের পরিবারের দু’জন বিদেশে গিয়ে আজ অবধি ভারতবর্ষে ফেরেননি।
অন্যদিকে এসএসসিতে সবচেয়ে বড় সুবিধা ভোগী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী বলে দাবি করেছেন অভিষেক। এ বিষয়ে পাল্টা দিতে গিয়ে সুকান্ত বলেছেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা যদি আমরা সত্যি ধরেনি তাহলে প্রথম পয়েন্ট হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করে নিলেন তার সরকারের আমলে এসএসসি দুর্নীতি হয়েছে। তার মানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে স্বীকার করছেন বেইমানি করে চাকরি বিক্রি করেছেন আর দ্বিতীয় পয়েন্ট হলো তদন্ত হবে অপেক্ষা করুন।”

