আমাদের ভারত, ১৪ নভেম্বর: এক হেভিওয়েট নেতা
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন অবস্থায় জেলবন্দি। আর একজন কয়েকদিন আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আপাতত জেলে। তারা দু’জনেই তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী। তবে এখন তারা প্রেসিডেন্সি জেলের প্রতিবেশী বন্দি। আর তাদেরকেই এবার চুড়ান্ত কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার।
প্রেসিডেন্সির একই ওয়ার্ডে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই ঘটনা নিয়ে দুই তৃণমূল নেতাকে কটাক্ষ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা, যদি না পড়ে ধরা। ধরা পড়ে গেছে এবার জেলযাত্রা হবে এটাই তো স্বাভাবিক।” তাঁর কথায় এবার জ্যোতিপ্রিয় এবং পার্থ দু’জনেই হাতে হাত রেখে গান করুন এই জেল যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলতো। পাশাপাশি তাঁর দাবি, এরপরে এই রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেট মিটিং প্রেসিডেন্সি জেলে বা তিহারে হবে।
একদিকে প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। অন্যদিকে তিহারে আটকে রয়েছেন তৃণমূলের বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে আপাতত জেলে রয়েছেন তৃণমূলের আরো কিছু বিধায়ক।
বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আদালতে অসুস্থ হয়ে পড়েন, তারপর হাসপাতাল থেকে ফিরে হেফাজত ঘুরে আপাতত জেলে রয়েছেন তিনি। বারবার নিজেকে অসুস্থ বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের এই নেতা। তার দাবি, তার শরীর অত্যন্ত খারাপ। বাঁ দিকটা প্রায় প্যারালাইসিস হয়েছে। কালী পুজোর দিন সকালে দেখা যায় সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেন না জ্যোতিপ্রিয়। দু’পাশ থেকে তাকে ধরে রয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। তাদের কাঁধের উপর কার্যত ভর দিয়ে হাঁটছেন। যদিও জেলের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুই মন্ত্রী সুস্থই রয়েছেন। আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

