Sukanta, BJP, TMC, আমার যাত্রার সময় মাছ মাংস নিয়ে দাঁড়াক একসাথে খাবো, খাদ্যাভাস নিয়ে অভিষেকের কটাক্ষের জবাব দিলেন সুকান্ত

আমাদের ভারত, ৪ মার্চ: বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে তত রাজনীতির চাপানউতোর তুঙ্গে উঠছে। নতুন নতুন ইস্যু নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়াচ্ছে শাসক- বিরোধীরা। সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে মাছ- মাংস খাবার প্রসঙ্গ। তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বাদানুবাদ। তার জবাবে সরব হয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

অভিষেকের অভিযোগ, মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাসেও হস্তক্ষেপ করছে বিজেপি। বাংলায় কে কী খাবে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন। এই প্রেক্ষাপটেই সোমবার নজরুল মঞ্চে আয়োজিত তফসিলি সংলাপ কর্মসূচি থেকে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রাকে কটাক্ষ করেন তিনি। সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ্য করে অভিষেক বলেন, গেরুয়া শিবিরের পরিবর্তন যাত্রা পথে মাছ, মাংস, ডিম রান্না করে খাওয়ান।

এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। বুধবার সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট ভাষায় জানান, কারো খাদ্যাভ্যাস নির্ধারণ করার অধিকার কারও নেই। তাঁর কথায়, কে মাছ, মাংস খাবেন আর কে খাবেন না তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। বহু বাঙালি ধর্মীয় কারণে নিরামিষ খান। আবার অনেকে আমিষ পছন্দ করেন। আমিও আমিষ পছন্দ করি। এতে রাজনীতির কিছু নেই। একই সঙ্গে অভিষেককে উদ্দেশ্য করে তাঁর মন্তব্য, তার যাত্রা পথে যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মাছ, মাংস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তাহলে দু’জনে একসঙ্গেই তা খাবেন।

একই সঙ্গে সুকান্ত মজুমদার আরও খোঁচা দিয়ে বলেছেন, ভোটের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস ভয়ে সিঁটিয়ে আছে। আর অভিষেক মাছ-মাংস ধরে বাঁচার চেষ্টা করছে।

ভোটের আগে খাদ্যাভ্যাসের মত ব্যক্তিগত বিষয়েও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে আসতে পারে। সাম্প্রতিক ঘটনা সেই দিকেই আঙ্গুল তুলেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে নির্বাচনের আগে ব্যক্তিগত আবেগ ও পরিচয়কে সামনে রেখেও মেরুকরণের চেষ্টা চলছে, যা নতুন নয়। তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে খাদ্যাভাসও যে ভোটের আলোচনায় উঠে আসবে তা আগে ভাবা যেত না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *