আমাদের ভারত, ২১ সেপ্টেম্বর: দিলীপ ঘোষ যেখানে ছেড়ে গিয়েছেন সেখান থেকে শুরু করব। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে প্রথমে এই বার্তাই দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষ সম্পর্কে মন খুলে সার্টিফিকেট দিতে দেখা গেছে নয়া সভাপতিকে। সুকান্ত মজুমদারের কথায়, পশ্চিমবঙ্গের সফলতম রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর সময়ই বিজেপি এরাজ্যে সবথেকে বেশি শক্তিশালী হয়েছে। স্বভাবে অত্যন্ত বিনয়ী হলেও আজ মনখুলেই দিলীপ ঘোষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন,” রাজ্য সভাপতি হিসেবে বিজেপির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে দিলীপ ঘোষের নাম।”

আচমকাই নাটকীয় রদবদল ঘটেছে রাজ্য বিজেপিতে। বহু গুঞ্জন ও জল্পনাও সত্যি হয়েছে। দিলীপ ঘোষকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে উন্নীত করা হয়েছে। আর তার জায়গায় বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত বলেছেন, “কলকাতা থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরের একজন সাধারণ কর্মীকে এই কাজের দায়িত্ব দেওয়াটা বিজেপির পক্ষেই সম্ভব। এর জন্য আমি, অমিত শাহ, বি এল সন্তোষ, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাই।
প্রাক্তনের প্রশংসা করে সুকান্ত বলেন, “দিলীপদা ব্র্যান্ড। এর বিকল্প নেই। দিলীপদার থেকেই লড়াই শিখেছি। ওর আদর্শকে সামনে রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়বো।” রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন সকালে দিলীপ ঘোষের চায় পে চর্চা আগামী দিনেও চলবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা নয়া সভাপতি।
দিলীপ ঘোষও যোগ্য সম্মান দিয়েছেন সুকান্তকে। তিনি আজ পুরোনো দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বলেন, “সুকান্ত মজুমদার আমার ক্যাপ্টেন। তার নেতৃত্বে লড়াই করে পাঁচ বছর পরে রাজ্যে পরিবর্তন আনবো।”
কিন্তু কেন সুকান্তকে বেছে নিল দল? দিলীপ ঘোষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, “বিজেপি আসলে ধারণা বদলে দিয়েছে। কলকাতা থেকে নেতা উঠে আসবে এমনটা সবসময় ঠিক নয়। আমাদের নেতারা পিছিয়ে পড়া সমাজ থেকে উঠে আসছেন। জঙ্গলমহল হোক বা উত্তরবঙ্গ, পিছিয়ে পড়া এলাকা থেকে উঠে আসা নেতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি।”

