আমাদের ভারত, ৪ মার্চ: পুরভোটের ফল ঘোষণার পরই তাহেরপুর থানার ওসিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কেন তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ওদের মত অনুযায়ী ভোট করাতে পারেননি তাই সরানো হয়েছে ওসিকে। সুকান্ত মজুমদারের কথায়, “মানুষ কি বুঝতে পারছে না, ওসিকে কেন সরানো হলো?”
পুরভোটের নির্বাচনের ফল প্রকাশের রাতেই তাহেরপুর থানার ওসির পদ থেকে অপসারণ করা হয় অভিজিত বিশ্বাসকে। তার পরিবর্তে তাহেরপুর থানার ওসি হয়েছেন ধানতলা থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি অমিয়তোষ রায়। ধানতলা থানার ওসির দায়িত্ব পেয়েছেন রজনী বিশ্বাস। রাজনৈতিক মহল মনে করছে তাহেরপুর পৌরসভা বামফ্রন্টের দখলের যাওয়ায় এই প্রশাসনে রদবদল তাহেরপুর পৌরসভার মোট ১৩টি ওয়ার্ড রয়েছে তার মধ্যে আটটি ওয়ার্ড সিপিএম দখল করে। বাকি পাঁচটি তৃণমূলের দখলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সিপিএমের এই জয়ের পেছনে একটা স্ট্র্যাটেজি কাজ করেছে কারণ সিপিএমের তরুণ প্রজন্মের ওপর আস্থা রেখেছে। কিন্তু রাতারাতি কেন তাহেরপুর থানার ওসিকে অপসারণ করা হলো তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
প্রশাসনে রদবদল কি আদৌ ভোটের ফল এর জন্য দায়ী? এর পেছনে কি রাজ্যের শাসকদলের হাত রয়েছে? পুলিশ কর্তারা এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ওদের মতো ভালো করে ভোট করাতে পারেননি। তাই সরানো হয়েছে তাকে। পরিস্থিতি অনেকটাই লোকে বুঝতেই পারছেন। তাহেরপুরের ওসিকে কেন সরানো হলো। মানুষ কি তা বুঝছেন না? আসলে ওদের মত অনুযায়ী ভোট করাতে পারেননি ওসি তাই সরিয়ে দেওয়া হলো।”
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ঐ পুলিশ অফিসার আসলে বামেদের রুখতে ব্যর্থ হয়েছে তাই শাস্তি পেতে হয়েছে তাঁকে। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য তৃণমূলের পরাজয়ের দায় বর্তেছে পুলিশকর্তার উপর। যদিও প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা বলছেন, এটা একেবারেই প্রশাসনিক বিষয়।

