আমাদের ভারত, ১ নভেম্বর: মুসলিম পুলিশ হিন্দু বাড়িতে ঢুকে কি করে পুজো সামগ্রী লাথি মার? পশ্চিমবঙ্গ এখনও পর্যন্ত পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে যায়নি। বিজেপি তৃণমূল সরকারের ওই মুসলিম পুলিশের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে, প্রয়োজনে আদালতে যাবে। হুগলিতে সাংগঠনিক সফরে গিয়ে এমনটাই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
রবিবার সিঙ্গুরে সাংগঠনিক বৈঠক যোগ দিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বৈঠক শেষে তিনি চন্ডীতলা থানার কাপাসারিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃষা গ্রামে যান। ওই গ্রামের বিজেপি নেতা পল্টু কুঁকরিকে দিন চারেক আগে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নাকি উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। সুকান্ত মজুমদার পল্টুবাবুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। সেখান থেকে বেরিয়ে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন বালুরঘাটের সাংসদ।
তিনি অভিযোগ করেন, গ্রেপ্তারের নামে এক হিন্দু বাড়িতে ঢুকে পুজোর সামগ্রীতে লাথি মেরেছে এক পুলিশ অফিসার। একই সঙ্গে তাঁর আরও অভিযোগ বিজেপি নেতা পল্টু কুঁকরি সম্প্রীতি নষ্ট করার মতো তেমন কিছুই না বললেও তাকে ইচ্ছাকৃত গ্রেফতার করা হয়েছে। অথচ এক ধর্মীয়গুরু হিন্দুদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্যের পরেও পুলিশ তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পল্টু কুঁকরিকে যেভাবে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গেছে তা সঠিক নয়। শুধু তাই নয় তার মায়ের সাথে অভব্য আচরণ করা হয়েছে। পুরুষ পুলিশ হয়েও মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে লাথি মেরেছে।” সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, “এর থেকেও বড় কথা, তাদের মধ্যে একজন পুলিশ অফিসার পল্টুর বাড়িতে থাকা পুজোর সামগ্রীতে লাথি মেরেছে। আমরা দুঃখের সাথে বলতে বাধ্য হচ্ছি সেই পুলিশ অফিসার ছিলেন একজন মুসলিম। সে কিভাবে সাহস পায়? একজন হিন্দুর বাড়িতে ঢুকে সে পুজো সামগ্রীতে লাথি মারে? পশ্চিমবঙ্গ তো এখনো পশ্চিম বাংলাদেশে হয়নি!”
হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, “আমরা রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিতে চাই, তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করবেন ঠিক আছে, কিন্তু হিন্দু ধর্ম হিন্দু সংস্কৃতিকে অপমান করবে এ অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি।”
সুকান্ত মজুমদার পল্টা অভিযোগ করেন, “যখন কোনো ধর্মীয়গুরু বলছেন হিন্দুরা কোরানকে অপমান করলে তার গলা কেটে নেওয়া হবে, তার বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কিন্তু, সেখানে পল্টু কুকরি কিছুই বলেনি তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” বিজেপি সভাপতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “পুলিশের এই দু’চোখা নীতি আমরা মানবো না। আগামী দিনে পথে নেমে প্রতিবাদ হবে এবং যে পুলিশ অফিসার এই ঘটনা ঘটিয়েছে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আমরা আদালতে যাব।”
মুসলমান পুলিশ কি করে হিন্দুর বাড়িতে ঢুকে পুজোর সামগ্রীতে লাথি মারে? পশ্চিমবঙ্গ তো এখনো পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে যায়নি!
সামনে দাড়িয়ে সোজা কথাটা সোজা ভাবে বলাটাই মনে হয় নেতৃত্ব দেওয়া।আপনার নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি এগিয়ে যাক @DrSukantaBJP দা। @BJP4Bengal @tathagata2 pic.twitter.com/70b3oC3nKh— Partha Sarathi (@FilmmakerPartha) November 1, 2021

