বিজেপি প্রার্থীর শাড়ি ছেঁড়া, বাংলার সংস্কৃতি বিরোধী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দক্ষিণ ভারতে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার পরামর্শ সুকান্তের

আমাদের ভারত, ১৯ ডিসেম্বর: তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসনের সহযোগিতাতে কলকাতা পৌরসভার নির্বাচনে কারচুপি করেছে। এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল হলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। গোটা ভোট প্রক্রিয়াকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এই ধরনের ভোট না করিয়ে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর দিয়ে যে কাজ চলে তা চালিয়ে যেতে পারতো রাজ্য সরকার।

বিজেপি তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল নির্বাচন শান্তিপূর্ণ না হলে তারা পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাবে। সেইমতোই কলকাতায় ভোট পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় দক্ষিণ দিনাজপুরে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে পথে নামেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, বিজেপি আগেই বলেছিল কলকাতা পুলিশকে নিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। আজ সেটাই হয়েছে। বিজেপি প্রার্থী মীনা দেবী পুরোহিত অভিযোগ করেছেন, তাঁর উপর হামলা হয়েছে, তাঁর শাড়ি ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। সে কথা উল্লেখ করে সুকান্তবাবু বলেন এই ঘটনা বাংলা সংস্কৃতির পরিচয় বিরোধী। তাঁর অভিযোগ, কলকাতা পুলিশকে দিয়ে ভোট করাতে গিয়েই এই দুরবস্থা।

সুকান্ত অভিযোগ করেন, খান্না হাই স্কুলের সামনে বোমা পড়ার পর পুলিশ সেটিকে চকলেট বোমা বলেছিল। পরে পুলিশের কাছে বারুদের চিহ্ন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে পুলিশ আধিকারিক বলেন তদন্ত হবে। তবে কেউ তো আহত হয়নি। সুকান্তবাবু এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে কেউ আহত হলে কিংবা মারা গেলেই সেটি বোমা হয়ে যেত? আর আহত না হওয়ায় এটি চকলেট বোমা?

এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন, বেশ কিছু বুথে সিসিটিভি ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের বেশকিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে এর সত্যতা “আমাদের ভারত” যাচাই করেনি। সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, একাধিক জায়গা থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার পরই পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে।

অন্যদিকে মিত্র ইন্সটিটিউশনে ভোট দিতে গিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন ভোটদানে বাধা দেওয়ার যদি সেরকম কোনও ছবি থাকে তা যেন সামনে আনা হয় তাহলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার কটাক্ষের সুরে বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ঘুরে বেড়াচ্ছে তা যদি দেখতে না পান তিনি ,তাহলে যেন দক্ষিণ ভারতে গিয়ে ভালো কোনও চোখের চিকিৎসককে চোখ দেখিয়ে নেন উনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *