“এই রাজ্যে আগে রাজনীতি”, বুদ্ধবাবুর পদ্ম সম্মান প্রত্যাখান, বিরোধী দলনেতাকে সাধারণতন্ত্র দিবসে আমন্ত্রণ না করা, নিয়ে মন্তব্য সুকান্ত মজুমদারের

আমাদের ভারত, ২৬ জানুয়ারি:আজ প্রজাতন্ত্র দিবসে বিজেপি রাজ্য দপ্তরে পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বুদ্ধ ভট্টাচার্যের পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান, বিরোধী দলনেতাকে সাধারণতন্ত্র দিবসে আমন্ত্রণ না জানানো মতো একাধিক বিষয়ে মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সামাজিক ও প্রশাসনিক অবদানকে মাথায় রেখেই কেন্দ্র সরকার মনে করেছিল এই পুরস্কার দেওয়া উচিত, তাই দিয়েছে। প্রত্যাখ্যান তারাই করেছেন যারা রাজনীতি করেছেন। এটা অনভিপ্রেত। এটা নিয়ে খামোখা রাজনীতির করার কোনো প্রয়োজন নেই।”

কেন্দ্র সরকারের সাম্প্রদায়িক বিভাজনের লাইন থেকে সরে না আসার কারণে কি বুদ্ধবাবুর এই পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান? এর উত্তরে সুকান্ত বাবু বলেন, “এতে আমরা রাজনীতি করিনি কিন্তু আমরাও বলতে পারি পাকিস্তান আগে ভাগ হবে, তারপর স্বাধীন হবে দেশ এমনটাই বলেছিলেন কমিউনিস্টরা। তাদের দেশবিরোধী নানা মন্ত্যব্য আছে। আমরা ওটা এখানে আনতে চাইছি না। কেন্দ্র সরকারের কর্তব্য দেশের গুণী ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়া।”

তাহলে বুদ্ধদেবের বিতর্কিত কাজকে কি সমর্থন করে বিজেপি? এ বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রশাসনিক ও সামাজিক কাজের জন্য তাকে পদ্মভূষণ দেওয়া হচ্ছে। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী যখন ছাদ দিয়ে জল পড়ার খোঁজ নেন, সেটাও কি সমর্থন? নাকি সৌজন্য? সংবিধান মেনে বুদ্ধবাবু সুজন বাবু কাজ করছেন তাদের মতাদর্শে। আমরা আমাদের মতাদর্শে করছি। তার উর্ধে সরকারের সৌজন্য।

অন্যদিকে সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিরোধী দল নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,”এটা দুর্ভাগ্যজনক। সংবিধান অনুযায়ী বিরোধীদের এই অধিকার আছে । এরা যে সেটা মানে না। কিন্তু গুজরাতে কংগ্রেস-বিজেপি উন্নয়নের রাজনীতি করে না। তাই তাদের অগ্রগতি হয়। আমাদের দুর্ভাগ্য, এই রাজ্যে আগে রাজনীতি। শুভেন্দু বাবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারিয়েছেন। যে আমাকে হারিয়েছেন তাকে তো সম্মান করতে হবে, এরা সেটা শেখেনি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *