পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ২০ জুন: বালুরঘাটে ট্রেনের রিজার্ভেশন কাউন্টারে দালালরাজ। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পরেই টিকিট কাউন্টারে দালাল চক্র বন্ধ করতে উদ্যোগী হলেন বালুরঘাটের সাংসদ। সোমবার সাংসদ সুকান্ত মজুমদার নিজেই রেলের ডি আর এমের কাছে ফোন করে এব্যাপারে নালিশ জানিয়েছেন। একইসাথে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রিজার্ভেশন টিকিট কাউন্টারে অবিলম্বে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর বিষয়েও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সাংসদ।
সাংসদ বলেন, প্রতিদিন একই ব্যক্তি ভোর থেকে আট – দশটি ফর্ম ফিলাপ করে কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে তার কাছে থেকেই বেশি দামে টিকিট কাটতে হয় সাধারণ যাত্রীদের। এমন সব ঘটনা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। এছাড়া কাউন্টারের কর্মী কম থাকায় বিকেলের দিকে পরিষেবা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। এতে জনমানসে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এমণ সব বিষয় বন্ধ করতে রেল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন সুকান্তবাবু।
উল্লেখ্য, বালুরঘাটে রেলের এই রিজার্ভেশন টিকিট কাউন্টারে প্রায় প্রতিদিনই কয়েকশো মানুষ ভিড় করেন দূর-দূরান্তের টিকিট কাটার জন্য। এরই সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির দালাল চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে এলাকায়। যাদের দৌরাত্ম্যে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। উপায় না থাকায় প্রয়োজনের তাগিদে দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষকে বেশি অর্থ দিয়ে সেই দালালদের কাছ থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই বালুরঘাটে ওই টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দালাল চক্র।
শুধু তাই নয় আচমকা টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্রটি বেলা দুটোর পর থেকে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আর এই বিষয়টি জানতে পেরেই এব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের উদ্যোগ নিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ।
টিকিট কাটতে আসা রানা সরকার নামে এক যুবক বলেন, এভাবে আচমকা অফিস বন্ধ থাকায় তারা বিপাকে পড়েছেন।

