সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১২ ফেব্রুয়ারি: আচমকা বনধে বেসরকারি বাস পথে না চলায় দুর্ভোগে পড়লেন যাত্রীরা। আজ পুরুলিয়া জেলা সদর বাস স্ট্যান্ড এবং গ্রামাঞ্চলে এই দৃশ্য দেখা গিয়েছে। ঝাড়খণ্ডের টাটা থেকে পুরুলিয়া বাস স্ট্যান্ডে নেমে গন্তব্যস্থলে পৌছাতে দুর্ভোগে পড়েন ষাটোর্ধ ওম প্রকাশ। বাস না চলায় শেষ পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা বাস স্ট্যান্ডে কাটিয়ে বেশি টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে গন্তব্যে যেতে হয় তাঁকে। আনাড়ায় যাওয়ার জন্য সপরিবারে দুর্ভোগে পড়েন প্রবীণ অমূল্য সিং সর্দার। তাঁদের বক্তব্য আচমকা রাতারাতি বনধ ডাকলে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েন। এটা সব রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ভাবা উচিত। বনধের বিপক্ষে সাধারণ মানুষ, পুরুলিয়ায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে একই বক্তব্য শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের। তাঁদের মতে বনধ বা হরতাল মানেই উপার্জনহীন একটা দিন।

পুরুলিয়া জেলায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় বাসের উপরই ভরসা বাসিন্দাদের। আজ বেসরকারি বাস পথে না নামায় সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় জেলার গ্রামাঞ্চলের সঙ্গে সদরের। সরকারি বাস পর্যাপ্ত না থাকায় তা প্রকট হয়ে দেখা দেয়। সকালে পুরুলিয়া শহরে বনধের পক্ষে মিছিল করে সিপিএম। দোকান পাট, হাট বাজার অবশ্য সচল থাকতে দেখা যায়। ব্যাঙ্কে কাজ হয় স্বাভাবিক। সরকারি দফতর গুলিতে হাজিরা স্বাভাবিক ছিল। পুরুলিয়া জেলা সদর ছাড়াও রঘুনাথপুর, মানবাজার, ঝালদা মহকুমা সদরে বেসরকারি বাস না চললেও দোকান বাজার খোলা ছিল।
বামেদের ডাকা হরতালে কার্যত মিশ্র সাড়া পড়ে পুরুলিয়া জেলায়। কোথাও অবশ্য অশান্তির ঘটনা ঘটেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

