আমাদের ভারত, ৫ নভেম্বর: সুব্রতবাবু এক প্রকার বাংলার রাজনীতির আইকন ছিলেন। তাঁর হয়তো ৭৫ বছর বয়স হয়েছিল তবু মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি চলে গেলেন। ৫০/৬০ বছর ধরে রাজনৈতিক জীবনে এক্টিভ থেকেছেন। সামাজিক জীবনে সবার সঙ্গে তাঁর স্বাভাবিক সম্পর্ক, কোনও দল বা বয়স কোনো কিছুই উনি ভাবতেন না। ব্যক্তিগত ভাবে অনেকের অভিভাবক ছিলেন। আজ সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান দিলীপ ঘোষ।
দিলীপবাবু বলেন, রাজনীতির ক্ষেত্রে তাদের মত মানুষরা চলে যাওয়াটা মূল্যবোধ ও পরম্পরার যে রাজনীতি সেটায় একটা বড় শূন্যস্থান তৈরি হয়ে গেছে। বেশ কিছু নেতাকে আমরা ইদানিং হারিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় একটা শূন্যস্থান তৈরি হচ্ছে। দিলীপবাবু বলেন, উনি যে পার্টির নেতা ছিলেন সে পার্টির যেমন ক্ষতি, ঠিক সেরকমই বাংলার রাজনীতিরও বড়ো ক্ষতি হলো। বিধানসভায় যাওয়ার পর ওঁনার সামনা সামনি হয়েছি ২০১৬ সাল থেকে তিন বছর ছিলাম। অনেকবার দেখা হয়েছে বিএ কমিটিতে বসে এক সাথে খাওয়া দাওয়া হত। এত বছর বয়সেও উনি মিষ্টি খেতেন খুব। বিধানসভার মধ্যে বেঞ্চে বসে অনেক্ষণ আলোচনা হয়েছে। উনি মজার মজার কথা বলতেন, স্টেট ফরোয়ার্ড বলতেন। এটা যেমন আনন্দদায়ক ছিল, মজারও ছিল, সেরকম শিক্ষারও ব্যাপার ছিল। নিঃসন্দেহে এরকম ব্যক্তি চলে যাওয়া রাজনীতিতে বড় একটা গ্যাপ তৈরি হল।

