জলমগ্ন ভবানীপুর, ভোটারদের অনুপস্থিতি হয়ে উঠবে না তো অঘটনের ফ্যাক্টর?

রাজেন রায়, কলকাতা, ৩০ সেপ্টেম্বর: বৃহস্পতিবার ভবানীপুর উপ-নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের প্রেস্টিজ ফাইট। নন্দীগ্রামে টাকা হারানোর পর ফের হারানোর হুমকি দিয়ে রেখেছে বিজেপি। এদিকে জলমগ্ন ভবানীপুরের একাধিক এলাকাসহ ভোট কেন্দ্র। এমন পরিস্থিতিতে কম ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসাই শেষ পর্যন্ত বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে না তো? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

নিম্নচাপের জেরে এক নাগাড়ে বৃষ্টি হয়ে চলেছে দক্ষিণবঙ্গে। মঙ্গলবার রাত থেকে অবিরাম বৃষ্টির কারণে ফের একবার জলমগ্ন শহর। এদিকে রাত ফুরোলেই ভবানীপুর উপনির্বাচন এবং সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে নির্বাচন। কিন্তু ভবানীপুরের বেশিরভাগ অঞ্চলেই এখন হাঁটু জল। তার ফলে এখন শাসক বিরোধী উভয় পক্ষের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ভোটাররা আসবেন কিভাবে ভোট দিতে?

শহরের বিপর্যয় মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নের কন্ট্রোল রুম থেকে তিনি বিভিন্ন জেলার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। রাস্তায় নেমেছেন কলকাতার পুরপ্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। খুলে দেওয়া হয়েছে সমস্ত ম্যানহোল। তবুও জল নামছে না।

আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানাগেছে, বুধবার সারাদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জোয়ারের সময় গঙ্গার লকগেটগুলি বন্ধ থাকায় জল নামতে আরও সমস্যা হয়। এদিকে প্রচুর সংখ্যক পাম্পিং স্টেশন আনার চেষ্টায় আছেন ফিরহাদ হাকিম। ভবানীপুরে ২৮৭টি বুথকেন্দ্রে চলবে ভোটগ্রহণ। যেহেতু সব বুথগুলির এক তলাতেই ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাই আরও বাড়ছে চিন্তা। তবে কি হবে তা বোঝা যাবে আগামী ২৪ ঘণ্টাতেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *