আমাদের ভারত, ৩০ সেপ্টেম্বর:ভবানীপুর উপনির্বাচন ঘিরে টানটান উত্তেজনা ছিল সারাদিন। সকাল থেকেই বুথে বুথে ঘুরেছেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কার টিব্রেওয়াল। সকালেই এক ভুয়া ভোটারকে হাতেনাতে তিনি ধরেছেন বলে অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। অভিযোগ ছিল কোন পরিচয় পত্র ছাড়াই বুথে প্রবেশ করেছে ওই ভোটার। এখানেই শেষ নয় জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওই যুবক বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন তিনি। আরে ইস্যুতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য।
প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ সামনে আসতেই শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে প্রশ্ন করেন, বাঁশদ্রোণীর ভোটার কিভাবে ভোট দিতে এলো ভবানীপুরে? তার দাবি ভুয়া ভোটের উপর নির্ভর করে তৃণমূল জয়ের ব্যাপারে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী। তিনি লিখেছেন বি ফর ভবানীপুর, বি ফর বাঁশদ্রোণী।
একই ইস্যুতে আক্রমণ জানিয়েছেন বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। টুইটারে তিনি লিখেছেন, নন্দীগ্রামের হারের পর ভুয়ো ভোটারের উপর নির্ভর করে জিততে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন একজন মুখ্যমন্ত্রীর কি ভুয়া ভোটের রায় মানায়? কটাক্ষের সুরে তিনি অভিযোগ করেছেন ভুয়ো ভোটের অতিমারী থাবা বসিয়েছে ভবানীপুরে।
বিজেপির অভিযোগ আজ সকালে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল খালসা হাইস্কুলে ভোটকেন্দ্রের ভিতরে গিয়ে দেখেন এক যুবক সেখানে রয়েছেন। কিন্তু তার হাতে কোনরকম পরিচয় পত্র নেই। তখনই তারা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। প্রিয়াঙ্কার প্রশ্নের উত্তরে সে যুবক জানাচ্ছেন তিনি বাঁশদ্রোণী বাসিন্দা। প্রিয়াঙ্কা তাকে বলেন পরিচয় পত্র না আসা পর্যন্ত বুথের বাইরে বসে থাকতে হবে তাকে। ওই যুবককে তৃণমূলের লোক বলে দাবি করেছে বিজেপি।
যদিও পাল্টা তৃণমূলের দাবি বিজেপি অশান্তি পাকাতে পরিস্থিতি তৈরি করছে। এর সঙ্গে ভুয়ো ভোটের কোনো সম্পর্ক নেই। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দান চললেও বিজেপি প্রার্থী ঢুকতেই গোলমাল শুরু হয়। পাল্টা দিতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল বলেন, গোটা রাজ্য ভুয়ো আইপিএস পুলিশ আধিকারিকে ভরে গেছে, এখানেও সেই একই জিনিস হচ্ছে।

