পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ জানুয়ারি: বুধবার ডেবরায় বিজেপির কর্মী সম্মেলনে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ বিকেলের কর্মিসভা থেকেই একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন রাজ্যের এই দাপুটে বিরোধী দল নেতা।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ফের গঙ্গারতি হতে চলেছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের শাসক শিবিরের সুপ্রিমকে কড়া ভাষায় বেঁধেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে জালি হিন্দু বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস উদ্বোধনের দিন জয় শ্রীরাম বলার জন্য মঞ্চে ওঠেননি মুখ্যমন্ত্রী। গঙ্গায় ঝাঁপ দিলেও কোনো লাভ হবে না।
মিড ডে মিল নিয়ে প্রত্যেক দিন নানান অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, “মিড ডে মিলটি রাজ্য সরকারের প্রকল্পই নয়। কেন্দ্রের এই প্রকল্প থেকে টাকা ঝাড়েন মুখ্যমন্ত্রী ও তার পার্শদরা”। বিশ্ব বাংলা কর্পোরেশনের মাধ্যমে টেন্ডার দুর্নীতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। দিদির দূত কর্মসূচি নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “দিদির দূতেরা মাল কামাচ্ছে, কোথায় টাকা পাওয়া যায় সেই টাকা খুঁজছে”।
“সিমি, পিএফআই, জামাত এর মত নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির মুক্তাঞ্চল হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। সামশেরগঞ্জে পিএফআই মিলিটারি মার্চ করে। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীরা তাদের পরিচালিত মাদ্রাসার বাচ্চাদের এই কাজে ব্যবহার করে, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া রাজ্যের বিরোধী দল নেতার।
অভিষেক মনুসিংভি, কপিল সিব্বলদের নিশানা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “চোরদের বাঁচানোর কাজে সুপ্রিম কোর্টের যে সমস্ত আইনজীবীরা লড়েন তার পর্যালোচনা অধীর চৌধুরীর করুক। কারণ তৃণমূলের সঙ্গে কার সেটিং আছে সেটা বোঝাই যাচ্ছ।
আদিবাসী জনজাতির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্প এনেছে। তৃণমূল পার্টি কেন্দ্রীয় সরকারকে জমি দেয়নি। প্রকল্প রূপায়িত হতে দেয়নি। আদিবাসীদের বঞ্চনা প্রসঙ্গে এমনই দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
গতকাল কলকাতার ক্যামকস্ট্রিটে অভিষেক ব্যানার্জির সঙ্গে দুই বিজেপি বিধায়কের সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আপনাদের একটা কথা আগেও বলেছি আজও বলছি মুকুল রায় সহ যে তিন চারজন গিয়েছে তারা সব বিধানসভায় বিজেপির বেঞ্চে বসেন বি এরা সব বিজেপিতেই আছেন এবং আগামী দিনেও থাকবে।

