অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ১৫ এপ্রিল: সুবর্ণরেখা নদী অববাহিকা অঞ্চলের মানুষজনের ভাষা ও সংস্কৃতির বিশেষত্বকে বাঁচিয়ে রাখার তাগিদে বাৎসরিক মিলন মেলার আয়োজন করল সুবর্ণরৈখিক ভাষা চর্চা বিষয়ক ফেসবুক গ্রুপ ‘আমারকার ভাষা আমারকার গর্ব’।

শুক্রবার বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে সুবর্ণরৈখিক ফেসবুক গ্রুপের পক্ষ থেকে সাঁকরাইলের রোহিনীতে মিলন মেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে উপস্থিত হন সুবর্ণরেখা নদী অববাহিকায় বসবাসকারী ঝাড়খন্ড, বাংলা, ওড়িশা রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলের সুবর্ণরৈখিক ভাষা ও সংস্কৃতি বহনকারী সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনরা। এদিন সকালে রোহিনী বাজারে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পর শহিদ বেদীতে মাল্যদান করে মিলন মেলার শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে সুবর্ণরৈখিক ভাষা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন এলাকার শিল্পীরা। পাশাপাশি দুপুর বেলা মিলন মেলায় আসা সাধারণ সুবর্ণ সেনাদের দুপুর বেলার খাবারের আয়োজন করা হয়।যেখানে পুরোপুরি সুবর্ণরৈখিক এলাকার মানুষের নিজস্ব খাবার পরিবেশন করা হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, গ্রুপের অ্যাডমিন বিশ্বজিৎ পাল, খড়্গপুর আইআইটির অধ্যাপক ডক্টর ভানুভুষণ খাটুয়া, বিশিষ্ট সুবর্ণরৈখিক ভাষার কবি পরেশ বেরা, গবেষক মধুপ দে প্রমুখ।

এদিনের কর্মসূচি সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিশ্বজিৎ পাল বলেন, সুবর্ণরৈখিক সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখার জন্য এই কর্মসূচি। পাশাপাশি অধ্যাপক ভানুভূষণ খাটুয়া বলেন, ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রাদেশিক এবং জাতীয় স্তরের ভাষা থাকলেও আঞ্চলিক এই সমস্ত ভাষা এবং সংস্কৃতি যেন সব সময় বেঁচে থাকে তার জন্য এই উদ্যোগ।

