আমাদের ভারত, ১০ অক্টোবর: ইস্রাায়েল-ফিলিস্তিনি লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে নেটনাগরিকদের সিংহভাগের সমর্থন ইস্রাায়েলের দিকেই। এ প্রসঙ্গে দীপ্তষ্য যশ লিখেছেন, “হামাসের সমর্থনে দেখলাম আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির “ছাত্ররা” মিছিল বার করেছে। মিছিলের স্লোগান, “তেরা মেরা রিস্তা কেয়া, লা ইলা হা ই ল্লা হা।”
দীপ্তষ্য যশ লিখেছেন, “হামাসের সমর্থনে হঠাৎ মিছিল কেন? কারণ তাদের মতে হামাস বিশাল বিপ্লব করে ফেলেছে। ইজরায়েল আজ যে লড়াই লড়ছে তা আসলে মানবতা রক্ষার লড়াই। সমগ্র মানবজাতির ভবিষ্যত এই লড়াইয়ের উপরে নির্ভর করছে। আজ যা ইজরায়েলে হচ্ছে কাল তা আমার আপনার মাটিতে হবে যদি হামাসকে আর হামাস সমর্থক তথাকথিত “গুড” মুসলিমদের সমূলে বিনাশ না করা হয়। প্যালেস্টাইন দেশটাই ম্যাপ থেকে মুছে দেওয়া দরকার। যাতে এরপরে কেউ অন্য কোথাও “রালিভ, গালিভ, চালিভ” বলার আগে নিজের মনেই শিউরে ওঠে। এই লড়াইতে দুটো পক্ষ। একদিকে মানব সমাজ, আরেকদিকে রাক্ষস জাতি। মানবসমাজের কল্যাণেই রাক্ষসের বংশ ধ্বংস হওয়া দরকার। ইজরায়েল পুরো মানবসমাজের লড়াই একা লড়ছে। যারা এই লড়াইয়ে ইজরায়েলের পক্ষে তারা আসলে মানবতার পূজারী, আর তাদের বিপক্ষে যারা তারা এক একটি পোটেনশিয়াল রেপিস্ট, খুনী। তাদের সভ্য সমাজে কোনও জায়গা নেই।”
প্রতিক্রিয়ায় দেবশ্রী মিত্র লিখেছেন, “একটাও সুশীলের মুখে আওয়াজ শুনেছো? এ বড় সত্যি কথা। লা ইলাহা এলে এরাই এদের বাড়ির মেয়েদের তাদের হাতে তুলে দিয়ে ধন্য হবে। মৌসুমী সেনগুপ্ত লিখেছেন, “খুব ভয় করে এসব দেখে।” বাবান দাস লিখেছেন, “আমি পুরো সমর্থন করি ইসরাইলকে।” পার্থ কাশ্যপ চৌধুরী লিখেছেন, “আসল সমস্যা কোথায় জানেন? প্রমোদ দাশগুপ্ত, শৈলেন দাশগুপ্ত, সুভাষ চক্রবর্ত্তী, সুজন চক্রবর্ত্তী, জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য সকলেই ওপার থেকে লাথ খেয়ে এসছেন। এপারে রাজনীতির চর্চা করছেন। তারপরেও এরা ইসলামের এতবড় সমর্থক! দর-উল-ইসলাম প্রতিষ্টা করতে পরোক্ষে সাহায্য করছেন!” সমীরন দত্ত লিখেছেন, “খিলাফতের গর্ভে মুজাহিদদের ঔরসে জাত বামপন্থীদের কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশিত।”

