সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১ জুলাই : ৪৭ বছর বয়সে ‘রূপশ্রী প্রকল্পে’ অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেছেন পুরুলিয়ার সাঁতুড়ি ব্লকের গড়শিকা পঞ্চায়েতের খারবেড় গ্রামের মেয়ে চাঁদমনি টুডু। রাজ্য জুড়ে এমন নজিরবিহীন আবেদন আর কখনও দেখা যায়নি।
চলতি মাসে ৪৭ বছরের চাঁদমনি টুডু সঙ্গে বাঁকুড়া জেলার দেউলবেড়িয়ার জোড়ভিড়ার বাসিন্দা ৫৮ বছর বয়সী অজিত হাঁসদার বিয়ে হতে চলেছে। যেহেতু রাজ্য সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে মেয়েরা প্রথমবার বিয়ের করলে রূপশ্রী প্রকল্পের ২৫ হাজার টাকা পাওয়ার যোগ্য। এক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে বিয়ের কার্ড, দুজনের বয়সের প্রমাণপত্র, আধার কার্ড ও দুই কপি ছবি জমা দিতে হয়। তাই নিয়ম মেনেই রূপশ্রী প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ভোটার পরিচয় পত্র, আধার কার্ড ও ফটো কপি সহ অন্যান্য নথি জমা করে সাঁতুড়ি ব্লকে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

আর চাঁদমনির ভাই অনিল টুডু বলেন, “কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা পেলে দিদির বিয়েতে খরচ করব। তা ছাড়া টাকা কোথায় পাব? বরং এই প্রকল্পের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই।”

যদিও এই বিষয়ে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জি বলেন , ‘‘এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ, রূপশ্রী প্রকল্পে আবেদনের সর্বোচ্চ সীমা বলে কিছু নেই। এটা আনন্দের খবর পুরুলিয়াবাসীর ক্ষেত্রে যে বয়স্ক পুরুষ ও মহিলা বিয়ে করছেন এবং রুপশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।’’

