আমাদের ভারত, ৬ ডিসেম্বর:কলকাতা পুরসভার ভোট আগামী ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু রাজ্যের আরও ১১৩টি পৌরসভায় ভোট এখনো বাকি। সেইসব পুরসভার ভোট কবে হবে, তা নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন কি ভাবছে, সেটা জানতে চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই নিয়ে মামলা দায়ের করেছিল বিজেপি। সেই মামলার প্রেক্ষিতে সোমবার হাইকোর্টে হলফনামা পেশ করে প্রশ্নের উত্তর দিলো নির্বাচন কমিশন।
কলকাতা ও হাওড়া পৌরসভায় ভোট ঘোষণার পরই রাজ্যের বাকি পৌরসভাগুলিতে ভোট করানোর ব্যাপারে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের দাবি ছিল, সব পুরসভার বকেয়া ভোট একসঙ্গে করতে হবে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছিলেন একসঙ্গে পুরভোট না হলেও অন্তত একদিনে গণনা করানো হোক।
সেই মামলা প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে। আগের শুনানিতে বিচারপতি জানতে চেয়ে ছিলেন মেয়াদ উত্তীর্ণ পৌরসভাগুলির ভোট নিয়ে কি ভাবছে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এই বিষয়ে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার হলফনামা জমা দিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানায় ২০২২ সালের মে মাসের মধ্যে বাকি পুরসভার ভোট করাতে প্রস্তুত তারা। করোনা পরিস্থিতির কারণে ভোটারদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে ছয় থেকে আট দফায় ভোট করানোর কথা বলেছেন তারা।
এক্ষেত্রে উচ্চ আদালত খানিকটা বিরক্তি প্রকাশ করেই জানতে চেয়েছে এর আগে রাজ্য সরকার এপ্রিলের মধ্যে ভোট করানোর কথা বলেছিল তাহলে কেন এখন একমাস পিছিয়ে যাচ্ছে? কমিশন আদালতের প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছে, সমস্ত পরিস্থিতি দেখে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে মে মাসের কথা বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণেই এত দফায় ভোটের প্রস্তাব দিয়েছে কমিশন।

