আমাদের ভারত, ১১ ডিসেম্বর: সন্ত্রাসবাদের প্রবেশের একটি পথ তবলিগি জামাত, এটি সমাজের পক্ষে ক্ষতিকারক। এই অভিযোগেই সৌদি আরবে তবলিগি জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সেখানকার সরকার।
করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় দিল্লিতে তবলিগি জামাত নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। অভিযোগ উঠেছিল বিদেশ থেকে আসা তাবলিগি জামাত সদস্যরা দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকে করোনা ছড়িয়েছে। এবার সেই তাবলিগি জামাতকে নিষিদ্ধ করল সৌদি আরব সরকার।
সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফিয়ার্স দপ্তরের মন্ত্রী ডাক্তার আব্দুল লতিফ শেখ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তবলিগি জামাতের নিষিদ্ধকরণের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। একইসঙ্গে শুক্রবার জুম্মার নামাজের তবলিগি জামাত নিয়ে মানুষকে সতর্ক করে দিতে মসজিদের ইমামদের নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তাবলিগি জামাতকে নিষিদ্ধ করে সরকারের তরফে বলা হয়েছে এটি হলো সন্ত্রাসবাদের একটি প্রবেশ পথ। শুধু তাবলিগি জামাত নয় এর পাশাপাশি নিষিদ্ধ করা হয়েছে দাওয়া নামে আরও একটি সংগঠনকেও। টুইট করে মন্ত্রী জানিয়েছেন মসজিদের ইমামদের ভাষণে উল্লেখ করা উচিত এরা কিভাবে সমাজের পক্ষে বিপদজনক হয়ে উঠেছে।
তাবলিগি জামাত সম্পর্কে সৌদি আরব সরকারের তরফে একটি ঘোষণায় ইমামদের উদ্দ্যেশ্যে বলা হয়েছে এটি হলো সন্ত্রাসবাদের একটি প্রবেশপথ। এদের বিপদ সম্পর্কে মানুষকে বোঝান, এদের ভুলগুলো তুলে ধরুন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তাবলিগি জামাত অথবা দাওয়া দুটোই সুন্নি মুসলিমদের সংগঠন। অন্যদিকে সৌদি আরবের অধিকাংশ মানুষ আহলে হাদিস অনুসরণকারী। ফলে এই দুই পক্ষের মধ্যে মতোবিরোধ রয়েছে। আহলে হাদিসের অনুসরণকারীরা ইসলামের অনুশীলন আরও বেশি শুদ্ধ করার পক্ষপাতী। তাদের লক্ষ্য, ধর্মীয় বিষয়ের উপরে জোর দেওয়া এবং অত্যন্ত কড়া ভাবে রাজনীতিকে এড়িয়ে চলা।

