আমাদের ভারত, ৫ মে: খুব শীঘ্রই রাজ্যে এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হবে যার ফলে অনুপ্রবেশ আটকাতে বিএসএফকে সাহায্য করতে বাধ্য হবে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে তিনটে ভাসমান বিএসএফ চৌকি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বৃহস্পতিবার বনগাঁর হরিদাসপুরের বিএসএফ ক্যাম্পে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, মে নতুন সীমান্ত চৌকির সাহায্যে অনুপ্রবেশ চোরাচালান সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হবে সীমান্তে। অমিত শাহ বলেন, অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া রুখে দেওয়া মুশকিল। আর সেই সাহায্য খুব তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখানে তৈরি হবে। জনতার এমন চাপ তৈরি হবে যে সাহায্য করতে বাধ্য হবে।
শাহ আরও বলেন, “বিরোধী দলনেতা আমাকে জানিয়েছিলেন এখানে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের সমস্যা ব্যাপক বেড়েছে। এই নতুন অত্যাধুনিক সীমান্ত চৌকির সাহায্যে এই সমস্যা এবার একেবারে নির্মূল হয়ে যাবে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কোচি শিপইয়ার্ডে তৈরি হয়েছে বিএসএফের এই ভাসোমান চৌকি। এই চৌকিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। চৌকির সামনের অংশটি বুলেট প্রুফ করা হয়েছে। জাওয়ানদের প্রয়োজনীয় সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে চৌকিতে। একবার তেল ভরলে একমাস জলে ভেসে থাকতে পারবে এই সীমান্ত চৌকি। প্রতিটি চৌকির সঙ্গে থাকবে ছয়টি করে টহলদারি নৌকো।
সীমান্তরক্ষীদের আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, “কাঁটাতার দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষিত হয় না। দেশের সীমান্তকে সুরক্ষিত রাখে বিএসএফ। কঠিন থেকে কঠিনতম পরিস্থিতিতে দেশের সীমান্ত পাহারা দেন তারা। হিঙ্গলগঞ্জে যেখানে সীমান্ত চৌকি উদ্বোধন হয়েছে সেখানে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করতে হয় তাদের। দেশে সীমান্তরক্ষীদের সুরক্ষা ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমস্ত পদক্ষেপ করবে মোদী সরকার।”

