আমাদের ভারত, ১৩ জুলাই:
জনবিস্ফোরণ ঠেকাতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পক্ষে সওয়াল করলেন যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর কথায়, বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে সামঞ্জস্য না থাকলে তা দেশে নৈরাজ্য ডেকে আনতে পারে। তাই জনসংখ্যার ভারসাম্য কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের যে প্রচারমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে তা সুষ্ঠুভাবে সফল হওয়া জরুরী বলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে লখনৌতে এক অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন যোগী। তাঁর মতে জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে তা দেশে অশান্তি ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পারে। এ বিষয়ে কঠোর হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে দাবি করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, “জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতা মেনে নেওয়া হবে না। আমরা যখন পরিবারের কথা বলি তখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। যেভাবে জনসংখ্যা বাড়ছে তা হওয়া উচিত নয়। কিছু সম্প্রদায়ের জন্মের হার অনেক বেশি। সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা খুব জরুরী।”
বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা ২৪ কোটি। শীঘ্রই তা ২৫ কোটির গণ্ডি পেরোবে। মুখ্যমন্ত্রীর মতে বর্ধিত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করাটা চ্যালেঞ্জের, তবে আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে রাশ টানতেই হবে। আদিত্যনাথ বলেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কথা বলতে গেলে, “প্রথমে আমাদের জাতি ধর্ম অঞ্চল ভাষাগত ভেদাভেদের উপরে উঠতে হবে। সমতা বজায় রেখে সচেতনতায় প্রচার চালাতে হবে এবং এই ধরনের কর্মসূচিতে সকলকে সার্বিকভাবে অংশ নিতে হবে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মধ্যে সমন্বয় রেখে এগোতে হবে। সার্বিকভাবে সহযোগিতা না হলে সাফল্য আসবে না।”

