তাহলে বন্দে ভারত তুলে নেওয়াই ভালো নয় কি? প্রশ্ন তথাগতর

আমাদের ভারত, ৪ জানুয়ারি: ‘বন্দে ভারত’-এর ওপর উপর্যুপরি যে আক্রমন হল, তার জন্য এই ট্রেন তুলে নেওয়াই ভালো নয় কি? এই প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

অঙ্কিতা কুন্ডু নামে একজন বুধবার ‘#এগিয়ে বাংলা’-সহ ফেসবুকে লিখেছেন, “বন্দে ভারত এক্সপ্রেস মালদা টাউন ঢোকার ২৫ কিমি আগে পাথর ছুঁড়ে ওই ট্রেনের দরজা জানালার কাঁচ ভেঙ্গে দিয়েছে। এবং একই ঘটনা হাওড়া- পুরুলিয়া এক্সপ্রেস এ গতকাল ঘটেছে।
ছিঃ ছিঃ আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি এটাই ভাবতে অবাক লাগে।”

সেটি যুক্ত করে তথাগতবাবু লিখেছেন, “ব্রিটিশ আমলে এরকম হলে ওই অঞ্চলে পিটুনি কর বসানো হতো। কিন্তু এখন? সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন! তার উপর মালদা তো ‘শান্তিপ্রিয় জেলা’! কিন্তু কালকেও যে এরকম হবে না তার কোনো গ্যারান্টি আছে কি? নেই? তাহলে বন্দে ভারত তুলে নেওয়াই ভালো নয় কি?”

তথাগতবাবুর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় চন্দ্রনাথ চ্যাটার্জি লিখেছেন, “কারা এগুলো করছে সবাই যানে, কিন্তু চাট সহ্য করতেই হবে, সামনে পঞ্চায়েত ভোট।”
প্রসেনজিৎ দে লিখেছেন, “এর একটা কড়া ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত রেল বন্ধ রাখা উচিত।“ রামকৃষ্ণ মাইতি লিখেছেন, “যা হচ্ছে ভালো হচ্ছে। আগামীতে বাঙালির জন্য কে লেখা আছে তা এই ঘঠনা থেকেই অনুমান করা যাচ্ছে।” কিংশুক পাল লিখেছেন, “দিদির লুঙ্গি পরা আদরের ভাইদের কাজ“। অনুপম মাইতি লিখেছেন, “কারোর অনুপ্রেরণায় নয় তো?”

অরিজিৎ দোদুল দাস লিখেছেন, “এটা পুলিশ দিয়ে আটকানোর বিষয় নয়, মানুষের মানসিকতার প্রশ্ন। আমাদের রাজ্যে একটা সাধারণ সমবায় সংস্থার নির্বাচনে পুলিশ দিয়ে অশান্তি সামলাতে হয় আর অন্যান্য রাজ্যে লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচন হয়ে যায় কোনো অশান্তি ছাড়া।

এটা মানুষের মানসিকতার বিষয়। এগিয়ে বাংলা বললে বাংলা এক ইঞ্চিও এগোবে না, মানুষকে এগোতে হবে। সেই জন্যে এক সময়ে যখন বাঙালি সারা ভারতে এগিয়ে ছিলো, তখন “হোয়াট বেঙ্গল থিঙ্কস টুডে, ইন্ডিয়ায় থিঙ্কস টুমরো” ছিলো আর এখন বাঙালি নয়ডা-তে বাসন মাজার কাজ করছে আর রিক্সা চালাচ্ছে।“

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *