আমাদের ভারত, ১২ মার্চ: এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন স্মৃতি ইরানি। তৃণমূলের “খেলা হবে” স্লোগানের পাল্টা দিতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি কটাক্ষ করে বলেন, দিদি খেলাই করেছো তুমি, বাংলার মানুষের সঙ্গে খেলা করেছো। মানুষের জীবনের সঙ্গে খেলা করেছো। শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে অনুষ্ঠিত একটি সভা থেকে এভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
এদিন তিনি কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের কথা টেনে এনে বলেন, “দিদি বলেছেন খেলা হবে, দেখুন দিদির খেলাটা কত বড়! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দিদি করে দিয়েছেন আনন্দধারা। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাকে দিদি করলেন বাংলার আবাস যোজনা। দারুন খেলা খেলছো দিদি, কাজ করছে মোদী আর ফোটো তুলছে দিদি। উনি বলছেন খেলা হবে। দিদিকে বলতে চাই তুমি খেলাযই করেছো, বাংলার মানুষের জীবনের সঙ্গে খেলা করেছো, খেলা করে ভবানীপুর ছেড়েছো, এবার নন্দীগ্রামেও খেলা করতে চাও। খেলাই করো তুমি। মোদী বাংলায় আসল পরিবর্তন আনবে। বলছে এখন নন্দীগ্রাম, সবার মুখে রাম নাম। যে দুর্গার বিসর্জন হতে দেয় না, এখন সে নন্দীগ্রামে এসে চন্ডী পাঠ করছেন ভোটের জন্য।”
এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে হলদিয়ায় ওই সভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এখন একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে, এদের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা শেষ হয়ে গিয়েছে। এই দলটিতে নেত্রী ও তাঁর ভাইপোর বাইরে কারোর কোনো সম্মান নেই, মর্যাদা নেই, কথা বলার জায়গা নেই, সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গা নেই, দলের বাকি সবাই ল্যাম্পপোস্ট। এই জায়গা থেকে বাংলাকে উদ্ধার করতে আমরা নেমেছি।
চিটফান্ড দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের ৩ কোটি মানুষ চিটফান্ডে টাকা হারিয়েছেন। সারোদা, রোজভ্যালি, আইকোর, ভেরোনা রাজ্যের মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেছে। রাজ্যের খুব কম পরিবার রয়েছে যাদের টাকা চিটফান্ডে যায়নি। বিজেপি সরকার এলে এই কোম্পানিগুলির যে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে তা বিক্রি করে, চিটফান্ড প্রতারিতদের টাকা ফেরত দিতে পারে। যা অন্য কেউ দিতে পারে না।”

