তমলুকে রথের রশিতে টান দিয়ে রথযাত্রা শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী

আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ১২ জুলাই: তমলুকের শ্রীশ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু মন্দিরে প্রথামাফিক রাজ পরিবারের সদস্যের উপস্থিতিতে শুরু হলো রথযাত্রা উৎসব। আজ দুপুর বেলা ১ টা নাগাদ দীর্ঘদিনের প্রথা মেনে মন্দিরের থেকে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি এনে রথে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর তমলুক রাজপরিবারের সদস্য তথা তমলুক পৌরসভার মুখ্য পৌর প্রশাসক দীপেন্দ্র নারায়ণ রায় রাজপরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে রথ যাত্রার শুরুতে বিভিন্ন ক্রিয়া-কলাপ সম্পন্ন করেন।

তিনি প্রথমে রথের চারপাশ ঝাঁটা দিয়ে পরিস্কার করেন। এরপরে জল ছড়িয়ে রথযাত্রা উৎসব এর সূচনা করেন। রথযাত্রা উপলক্ষে ভক্তদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। তবে কোভিড বিধি মেনে অল্পসংখ্যক ভক্তবৃন্দকে মন্দির চত্বরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল।

পরে বিকাল পাঁচটা নাগাদ পুজো করে নারকেল ফাটিয়ে রথের দড়িতে টান দিয়ে রথ যাত্রার সূচনা করেন বিজেপি নেতা তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একে একে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার তিনটি রথের দড়িতে টান দিয়ে রথ যাত্রার সূচনা করেন শুভেন্দু অধিকারী। কোভিডের কারণে এ বছর রথ মন্দির চত্বরের বাইরে বেরোয়নি। মন্দির চত্বরে রথযাত্রা সমাপ্ত করেন ভক্তবৃন্দ। এরপরে শুভেন্দু অধিকারী ভক্তদের উদ্দেশ্যে বাতাসা হরিলুট দেন। পরে মন্দিরের ভিতরে গিয়ে দর্শন করেন রাধা গোবিন্দের এবং মহাপ্রভুর চরণে পুষ্পার্ঘ্য দেন।

ধূপ ও দীপ দিয়ে আরতী করে শুভেন্দু অধিকারী। এরপর মন্দির থেকে বেরিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমরা সনাতন ধর্ম মানি। কোভিড প্রটোকল মেনে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা দেবীর রথের রশি টানার প্রথা রয়েছে। এখানে চৈতন্যদেব অনেকদিন ছিলেন। এখানে রথযাত্রা বড় করে হয়, কিন্তু করোনার জন্য ভিতরে সীমিত ভক্তদের নিয়ে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আমরা সবাই মহাপ্রভুর ভক্ত হিসেবে এখানে এসেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *