প্রতীতি ঘোষ, আমাদের ভারত, ১৫ জুলাই:
বৃহস্পতিবার অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে এসে মজদুর ভবনে বসে এক ঘণ্টা গোপন মিটিং করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আগামী দিনে রাজ্য কিভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্দোলন হবে তা নিয়ে দুজনের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়।
আজ হরিণ ঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারে বাসভবনে যান রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে ফেরার পথে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি যান। সেখানে অর্জুন সিং ও অর্জুন পুত্র পবন সিংয়ের সাথে বৈঠক করেন।
বৈঠকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে দু’জনের বিস্তারিত আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে। রাজ্যে আইনের শাসন নয় শাসকের আইন চলছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট নিয়ে কীভাবে আগামীদিনে আন্দোলন হবে তা নিয়ে অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করেন শুভেন্দু। এছাড়া বিজেপি নেতা ও কর্মীদের ওপর হয়ে চলা অত্যাচার, পুলিশের দেওয়া মিথ্যা মামলা নিয়েও আলোচনা হয়। এইসব ইস্যুতে আগামী দিনে আন্দোলনের রূপরেখা নিয়েও দু’জনের বিস্তারিত কথা হয়।
শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, “আজ এনএইচআরসি’র দেওয়া রিপোর্ট দেখে বর্তমান রাজ্য সরকারের উচিত ছিল পদত্যাগ করা। এখানে আইনের অনুশাসন নেই। এই রাজ্যে বিধায়কদের বাড়ি থেকে পর্যন্ত গাছ চুরি হয়ে যায়, তাহলে সাধারন মানুষ কি করবে? আমি আজ অর্জুন সিংয়ের সাথে আলোচনা করতে এসেছিলাম যে রাজ্যে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের যেভাবে অত্যাচারিত হতে হচ্ছে তার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হতে হবে। আর কি করতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করলাম। রাজ্যের মানুষের কি ভাবে ভালো করা সম্ভব, আর আমাদের পার্টি কর্মীদের জন্য কথা বললাম, আর দলদাস পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলেছি।”

ভ্যাক্সিন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী সব সময় অসত্য কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন, ৫ মে থেকে ভ্যাকসিন কিনে বিতরণ করবেন কিন্তু রাজ্যে আড়াই কোটি ভ্যাকসিন এসেছে, যার মধ্যে মাত্র ২৮ লক্ষ ভ্যাকসিন রাজ্য সরকার দিয়েছে আর ২ কোটি ৪২ লক্ষ ভ্যাকসিন মোদী সরকার দিয়েছে। তিনি দেবঞ্জন কান্ড নিয়ে সঠিক ব্যবস্থা নেননি।”

