আমাদের ভারত, ১৩ জানুয়ারি: ছবি তুলেই না খেয়ে খাবার রেখে উঠে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা সাংসদ শতাব্দী রায়। এই ঘটনায় তোপ দেগেছেন নেটনাগরিকদের একাংশ। একটি বাংলা সংবাদ চ্যানেলে খবরটি আসার ২ ঘন্টা বাদে, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় পড়েছেন ২৯ হাজার জন। লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৮০০, ১৭৩ ও ১৯২।
অমিত প্রামাণিক লিখেছেন, “গরিবের খাবার হজম হবে না।” কাশীনাথ সাহা লিখেছেন, “এরাই নাকি জনদরদী নেত্রী! জন প্রতিনিধি? আসলে সাধারণ মানুষ যা খায় তা উনি খেতে পারেন না। তাই যে কোনো একটা অজুহাত দিয়ে উঠে গেলেন।” ঝন্টু সাধু লিখেছেন, “এরা বালি খায়, কয়লা খায়। এরা টাকার বান্ডিল ছাড়া কিছুই খেতে পারে না। এই খাবার অভুক্ত রাস্তার শিশুদের খাওয়ালে, তারা অমৃতের মতো খেত। তাদের এইসব খাবারই কালে ভদ্রে জোটে।”
অপরেশ জানা লিখেছেন, “এরাই নাকি জনদরদী
……….কাটমানি ছাড়া অন্য কিছু খেতে নিষেধ।”
কিংশুক বসু লিখেছেন, “দিদির দূতেদের ঘুষ আর কাটমানি ছাড়া অন্য কিছু খেতে নিষেধ করেছেন দলীয় নেতৃত্ব। শতাব্দী রায় কি করে দলীয় নির্দেশ অমান্য করবেন?” শেখ রশিদুল লিখেছেন, “এরা সব বড় বড় হোটেলের খাবার খায়। এই খাবার কী ওরা খায়? আবার এরা নাকি গরিবের উপকার করবে।”
চঞ্চল কুমার মল্লিক লিখেছেন, “এরাই করবে জনগণের কাজ। টাকার বাণ্ডিল দিলে খেয়ে ফেলতো।” পরিমলকৃষ্ণ হালদার লিখেছেন, “এরা গরিবের খাবার খাবে না। অথচ গরিবের পরিশ্রম করা উপার্জনের পয়সা ভোগ করতে পারে।” অভিজিৎ সরকার লিখেছেন, “ছবি তোলা হয়ে গেছে, এগুলো লোক দেখানো তোলামূল….গরিবদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে, গরিবদের সর্বশান্ত করা চিটফান্ড সহ একাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দল তোলামূল কংগ্রেস।”

