অবশেষে দাবিপূরণ, বনগাঁ স্টেশনে চলন্ত সিঁড়ির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ শান্তনুর

সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৫ অক্টোবর: অবশেষে বনগাঁ স্টেশনে চালু হল চলমান সিঁড়ি। বিশেষত মুমূর্ষু রোগী, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের কথা ভেবেই এই চলমান সিঁড়ি পরিষেবা চালু করা হল। রবিবার এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এদিনের এই অনুষ্ঠানে সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ছাড়াও শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম দীপক নিগম উপস্থিত ছিলেন। এদিন চলমান সিঁড়ির উদ্বোধন করেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। বক্তব্য রাখতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। মন্ত্রী নিজের কথা রেখেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত শহর হিসেবেই পরিচিত বনগাঁ। এছাড়া বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাখাল দাস, দীনবন্ধু মিত্রের শহর বনগাঁ। জাতীয় স্থলবন্দর এই শহরে। বাংলাদেশ থেকে যাঁরা ভারতে আসেন, তাঁদের একটা বড় অংশ যাতায়াতের ক্ষেত্রে রেল পরিষেবার উপরেই ভরসা রাখেন। পাশাপাশি পর্যটকদের সঙ্গে থাকে বেশ কিছু ল্যাগেজ। এদিকে সেগুলি বহন করতে গিয়ে বেজায় সমস্যায় পড়তে হয় তাঁদের। তবে এই চলমান সিঁড়ি হয়ে যাওয়ার পর এখন থেকে আর কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। এবার নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে বিদেশীরা স্বচ্ছন্দেই চলমান সিঁড়ি দিয়ে চলাফেরা করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, রাজ্য সহযোগিতা করলে বাংলা সাজিয়ে তুলব। কিন্তু রাজ্য সরকার রাজনীতি করতে গিয়ে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করছে। তিনি বলেন, চলমান সিঁড়ি চালু হওয়ায় বয়স্ক যাত্রীদের অনেকটা সুবিধা হবে। আগামী দিনে বনগাঁ স্টেশনের আরও অনেক উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া বনগাঁ, বাগদা সহ একাধিক নতুন রুট রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ না করে দেওয়ায় কাজ থমকে আছে বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। ইছামতি নদীর সংস্কারের কাজও রাজ্য সরকারের জন্য থমকে আছে বলে জানান শান্তনু ঠাকুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *