মমতার বিরুদ্ধে মতুয়া সমাজকে ‘অপমান করার‘ অভিযোগ শান্তনুর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মতুয়া সমাজকে ‘অপমান করার‘ অভিযোগ আনলেন সারা ভারত মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি তথা কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথের মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সামাজিক মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত শান্তনুবাবুর ভিডিও দেখেছেন ৩৪ হাজারের ওপর নেটনাগরিক। লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার করেছেন যথাক্রমে ৩ হাজার ২০০, ২৫২ ও ৫৬৮ জন।

ভিডিওর পাশাপাশি শান্তনুবাবু ফেসবুক ও টুইটারে লিখেছেন, “পূর্ণব্রহ্ম পূর্ণাবতার শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং শিবাবতার শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামকে এভাবেই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়া সমাজ তথা সমগ্র নমঃশূদ্র সমাজ, আজ লজ্জিত এবং অপমানিত।

ক্ষীরোদ বিহারী হরি রুপে যাঁরা পূজিত হন, তাঁদের এমন অবজ্ঞা মতুয়ারা মেনে নেবে না।। শুধুমাত্র ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি এবং সমাজের প্রতি স্তরে মতুয়াদের মাথার উপর এমন প্রভুত্ব করার দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। সারা ভারত মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি হিসেবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।”

প্রসঙ্গত, গত ৩১শে জানুয়ারি মালদার সভা থেকে মতুয়া ধর্মগুরু গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ ভুল উচ্চারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর। এমনই অভিযোগ বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনুর। মালদায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘যতদিন বড়মা বেঁচেছিলেন তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব কে নিয়েছিলেন? আমি করেছিলাম। কেউ তাকিয়ে দেখেননি। আমরা কন্যাশ্রী কলেজ করেছি। মতুয়াদের ধর্মগুরু হরিচাঁদ, গুরুচাঁদের নামে বিশ্ববিদ্যালয় করা হয়েছে।’ অভিযোগ গুরুচাঁদ বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যাপাধ্যায় ভুল উচ্চারণ করেছেন। গুরুচাঁদের নাম নিশ্চিৎ করেও তিনি ‘ভুল’ বলেছেন বলে দাবি শান্তুনুর। সাংসদের দাবি, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উচ্চ সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়ায় তফশিলি উপজাতির ধর্মগুরুকে এইভাবে অপমান করেছেন। মতুয়া সম্প্রদায়কে ব্যবসা ও ভোট বাক্স বলে ভাবেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *