আমাদের ভারত, ৪ জুলাই:
কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে টানা পড়েন চলছিল বেশকিছু দিন ধরেই। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্টেও। রাজ্য নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনীতে গড়রাজি থাকলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর পক্ষে রায় দেয় আদালত। শেষ পর্যন্ত ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। দফায় দফায় রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা শুরু করে দিয়েছে। হাতে মাত্র আর তিনটে দিন। শেষ মুহূর্তে প্রচারে ঝড়ও উঠেছে। জেলায় জেলায় শাসক থেকে বিরোধী সমস্ত দলের নেতারাই প্রচারে ব্যস্ত। তেমনি দক্ষিণবঙ্গের পর উত্তরবঙ্গে প্রচারে নেমেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আজ সেই রকমই প্রচারে যখন চূড়ান্ত ব্যস্ত সুকান্ত তখনই আচমকা তাঁকে ফোন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
সূত্রের খবর, ফোনে পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সুকান্তর কাছে খোঁজখবর নিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা, পুলিশের ভূমিকা, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সবটাই সুকান্তর কাছে জানতে চেয়েছেন অমিত শাহ। একইসঙ্গে দলের কর্মীরা কীভাবে ভোটের ময়দানে কাজ করছেন, ভোটকে কেন্দ্র করে হিংসায় কতজনের মৃত্যু হয়েছে, কতজন ঘরছাড়া রয়েছেন, তারও খুঁটিনাটি জেনেছেন তিনি সুকান্তর কাছ থেকে।
অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে রাজ্যে সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন সুকান্ত। একই সঙ্গে ভোটের দিন শাসকদলের অত্যাচারের পরিমাণ আরো বাড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। ভোট লুটেরও চেষ্টা হতে পারে বলে মনে করেছেন সুকান্ত।ব্যালট বাক্স বদল করে দেওয়ার চেষ্টা, জাল ব্যালট পেপার ছাপানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি অমিত শাহের কাছে।
আবার ভোটের আগে হিংসার কারণে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, তা সে শাসক দলই হোক কিংবা বিরোধী দল। আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করেছেন স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছেন তিনি।অমিত শাহ এই বিষয়েও সুকান্তর সঙ্গে কথা বলেছেন।

