আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৩ জুন: জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে সাজাপ্রাপ্ত এক আবাসিকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃত আবাসিকের নাম দুলাল নন্দী(৬৫)। বাড়ি ডুয়ার্সের ওদলাবাড়ি এলাকায়।
সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় জলপাইগুড়ির সরকারি মেডিক্যাল কলেজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ওই আবাসিকের মৃত্যু হয় বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, অসুস্থ অবস্থায় রবিবার দুপুরে ওই আবাসিককে আনা হয়। মৃত আবাসিকের পরিবারের লোকজন সোমবার সন্ধ্যায় মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছোয়। মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে অভিযোগ।
পরিবার কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মৃতের ছেলে সৌরভ নন্দী অভিযোগ করে বলেন, “কিভাবে মৃত্যু হল আমরা বুঝতে পাচ্ছি না। হাসপাতালে ভর্তি করার পরে আমাদের খবর দেওয়া হয়নি। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।”
মৃতের দিদি ইতু রাউত বলেন, খবর পেয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিবারের লোকজন পৌঁছোয়। ভাইয়ের গলায় ফাঁসের চিহ্ন দেখা যায়। তাছাড়াও নাক ও মুখে রক্ত দেখা যায়। এই মৃত্যুর তদন্তের দাবি তোলা হয়। শারীরিক অসুস্থতা নাকি এই মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনো কারণ আছে তা খতিয়ে দেখা দরকার।
সংশোধনাগার সূত্রে খবর, ২০০৯ সালে পকসো মামলা ছিল আবাসিকের বিরুদ্ধে। যার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে সাজাপ্রাপ্ত হিসেবে জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে তাকে রাখা হয়। এরপর আচমকাই এই মৃত্যুর ঘটনা।

