আমাদের ভারত, ২ জুন: স্কুলের সব ছাত্রীদের জোর করে হিজাব পরানো হয়েছে। শুধু তাই নয় স্কুলের কিছু ভালো রেজাল্ট করা মেয়েকে হিজাব পরিয়ে তাদের ছবি পোস্টারে ছেপে ভাইরাল করার অভিযোগ উঠেছে মধ্যপ্রদেশের দামো জেলার একটি বেসরকারি স্কুলের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ, মুসলিম না হলেও সকলকে হিজাব পরতে বাধ্য করা হচ্ছে। বিষয়টি জেলা শাসকের নজরে এনেছেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রধান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। তারপরে ওই ছাত্রীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন দামো জেলার এক শিক্ষাকর্তা। তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানাগেছে, বিতর্কে জড়ানো গঙ্গা যমুনা হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ওড়না নেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। হিন্দুত্ববাদী দলগুলি প্রতিবাদে নেমে দাবি করেছে, হিন্দু মেয়েদের জোর করে হিজাব পরাচ্ছে স্কুল।
স্কুলের ডায়রেক্টর মোস্তাক মহম্মদ বলেন, কোনো মেয়ে হিজাব পরেনি ওড়না নিয়ে আছে। মাথায় ওড়না নেওয়া আমাদের স্কুলের ইউনিফর্মের অংশ। তবে আমরা কখনোই কোনো ছাত্রীকে তাদের ঐতিহ্য বা সংস্কারের বাইরে কিছু পরার জন্য জোর করি না।
এই ঘটনায় পুলিশে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র। তিনি বলেন, “আমরা দামো জেলার পুলিশের কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। ভালো করে খতিয়ে তদন্ত করা হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান একই নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, কোনো স্কুলই কোনো মেয়েকে জোর করে কোনো ধর্মীয় পোশাক পরাতে পারে না। দামো জেলা স্কুল থেকে এমনই অভিযোগ এসেছে। এর পরে আমরা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। যা জানা যাবে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।” জানা গেছে এর আগেও এই স্কুলের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল।

