পিন্টু কুন্ডু, আমাদের ভারত, বালুরঘাট, ১৬ নভেম্বর: অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর রহস্য মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। যদিও মায়ের অবৈধ সম্পর্কই জীবন কেড়েছে মেয়ের, এমনই অভিযোগ বাবার। ঘটনাকে ঘিরে তুমুল শোরগোল বালুরঘাটের চকভৃগু এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ওই ছাত্রীর নাম ঋষামৃতা দাস (১৪)। গাজোলের শঙ্করপুর এলাকার বাসিন্দা হলেও বেশকিছুদিন ধরে মা শুক্লা দাসের সাথে বালুরঘাটের চকভৃগু এলাকায় ভাড়া বাড়িতেই ছিলেন তিনি। সোমবার সন্ধ্যায় সেখান থেকেই ওই স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানা গেছে, অষ্টম শ্রেণির ওই স্কুল ছাত্রী ঋষামৃতা দাসের বাবা সুভাষ দাস পিএইচই’র অস্থায়ী কর্মী। মা শুক্লা দাস। পারিবারিক অশান্তির জেরে প্রায় চারবছর আগে আলাদা হয়েছেন তারা। ডিভোর্স না হলেও গাজোলে স্বামী সুভাষ দাসের ঘর ছেড়ে এসে বালুরঘাটের চকভৃগুতে বাড়ি ভাড়া নিয়েই থাকতেন মা শুক্লা। সেখানেই বেশ কিছুদিন ধরে এসেছিলেন মেয়ে ঋষামৃতা। সোমবার সন্ধ্যায় সেখান থেকেই তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে ঘটনার তদন্তে নামে বালুরঘাট থানার পুলিশ।

যদিও মৃত স্কুল ছাত্রীর বাবা সুভাষ দাসের অভিযোগ, স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের কারণেই তাদের ঘর ভাঙে প্রায় চারবছর আগে। বালুরঘাটে এসেও তা অব্যাহত ছিল। আর তার জেরেই মেয়েকে খুন হতে হয়েছে। যদিও এই ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি মা শুক্লা দাস। তিনি বলেন, মেয়ের এমন মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
ছাত্রীর বাবা সুভাষ দাস বলেন, তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের জেরেই তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। খুন করা হয়েছে তার মেয়েকে। ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত চান তিনি। ব্যস্ততার কারণে থানায় অভিযোগ জানাতে না পারলেও পরে বিষয়টি নিয়ে তিনি থানায় অভিযোগ জানাবেন।

