বিজেপির কি খেয়ে দেয়ে কাজ নেই অভিষেকের পাশে গুন্ডা বসাবে? এসব প্রচারে আসার চেষ্টা , মমতাকে পাল্টা সায়ন্তনের

আমাদের ভারত, ৯ আগস্ট: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন বিপন্ন। তার পেছনে গুন্ডা তুলে দেওয়া হচ্ছে। অভিষেককে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগকে একেবারেই ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেন রাজ্য বিজেপি সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। তার বক্তব্য, বিজেপির কি খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই যে অভিষেকের পাশে গুন্ডা বসাতে যাবে?

ত্রিপুরায় আহত তৃণমূল যুব নেতা নেত্রীদের দেখতে সোমবার এসএসকেএমে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের সুরে তিনি বলেন, “অভিষেক বিমানে কোথাও গেলে ওর পাশের পাঁচটা আসন বুক করে গুন্ডা তুলে দেওয়া হচ্ছে। অভিষেকের জীবন বিপন্ন।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের জবাবে বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন,”আমাদের কি আর খেয়ে দেয়ে কাজ নেই যে বিজেপি অভিষেকের পিছনে নজর রাখবে। এটা আসলে কাউকে প্রচারের আলোয় আনার চেষ্টা।”

অভিষেকের গাড়িতে হামলা প্রসঙ্গে মমতার অভিযোগের জবাবে সায়ন্তন আরও বলেন,”কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে তাকেই বুলেট প্রুফ গাড়ি দেওয়া হয় যার জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। এখানে যার কথা বলা হচ্ছে, তার জীবনের তেমন ঝুঁকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার পরেও আমার কাছে খবর আছে রবিবার ত্রিপুরা সরকার তাকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি দিয়েছিল।”

ত্রিপুরা সার্বিক ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশেই গোটা ঘটনা ঘটেছিল। না হলে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর এত সাহস হতে পারে না।” এই মন্তব্যের জবাবে সায়ন্তন বলেন, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের ওপরেই থাকে। সেখানে কেন্দ্র কোনও নির্দেশ দেয় না। আর পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বা ভালো করে বলতে গেলে কালীঘাটের বাইরে অভিষেকের অস্তিত্ব কোথায়? মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো ছাড়া অভিষেকের কিই–বা পরিচয় আছে?” সায়ন্তন বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের ভুল কথা বলা কখনোই উচিত নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *