আমাদের ভারত, ১২ ফেব্রুয়ারি:রবিবার হিমাবহ ধসের জেরে ঋষিগঙ্গা নদীর গতিপথে তৈরি হয়েছে বিপদজনক একটি হ্রদ। স্যাটেলাইটের ছবিতে বিপদজনক এই হ্রদের ছবি ধরা পড়েছে। নদীর জলের চাপে বালি নুড়ির তৈরি প্রাচীর ভেঙ্গে হুড়মুড়িয়ে জলের স্রোত চামোলিতে গিয়ে পড়বে। ফলে এই হ্রদের খোঁজ জানার পরে এলাকাবাসী আতঙ্কিত।
স্যাটেলাইট চিত্র দেখা গেছে চামোলি জেলার পাহাড়ি উপত্যকায় যেখানে তুষারধস নেমেছিল সেই এলাকাতেই ঋষি গঙ্গা নদীর গতিপথে নুড়ি পাথরের দেওয়াল দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি কৃত্রিম হ্রদ। এই হ্রদের কারণে নদীর প্রবাহ বাধা পাচ্ছে। ফলে প্রবল চাপের মুখে দেওয়াল ভেঙে ভয়ঙ্কর জলরাশি যেকোনো সময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসতে পারে। হড়পা বানে ভাসতে পারে চামোলির গ্রাম।
তবে বড় বিপদ এড়াতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে এনডিআরএফ, এসডিআরফের টিম। এছাড়াও ডিআরডিওর বিশেষজ্ঞরাও বিষয়টি নিয়ে রিসার্চের কাজ শুরু করেছেন।
এনডিআরএফ ডায়রেক্টর জেনারেল এস এন প্রধান, জানিয়েছেন এই বিষয়টিকে কোনভাবে অবহেলা করা হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হ্রদের পার্শ্ববর্তী এলাকায় চলে গেছে অন্যান্য বাহিনী। পর্যালোচনাও শুরু হয়েছে। হেলিকপ্টারে এলাকা ঘুরে দেখা হচ্ছে। ড্রোনের মাধ্যমেও গোটা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।
ঋষি গঙ্গার গতিপথ কে আটকে দিচ্ছে এই হ্রদ। জলের স্তর বেরে গেলেই হ্রদের দেওয়াল ভেঙে যাবে এবং জলের স্রোত এগিয়ে যাবে তপবন জলবিদ্যুৎ এর দিকে। এখনো সেখানে টানেলের মধ্যে সারাদিন কাজ চলছে নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারের। কাদায় ভরা নদীর গতিপথে নেমে কাজ চলছে সেখানে।

