স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১০ ফেব্রুয়ারি: সবলা মেলা, সংস্কৃতি মেলা ও বইমেলার অনুমতি নদিয়া প্রশাসন দিলেও সরস্বতী পুজোতে সাঙের অনুমতি পেল না কৃষ্ণনগরের বারোয়ারিগুলি।
উচ্চ আদালত বা নিম্ন আদালতের বিধিনিষেধ না থাকলেও সরস্বতী পুজোতে সাঙের অনুমতি মিলল না বলে কৃষ্ণনগরে বারোয়ারিগুলোর অভিযোগ, করোনা আবহে সবলা মেলা, সংস্কৃতি মেলা, বই মেলায় অনুমতি দিল নদীয়া প্রশাসন। কৃষ্ণনগরের মানুষের ভাবাবেগের সঙ্গে জড়িত এই সরস্বতী পুজো। আর সাঙ না হলে সরস্বতী পুজোর আনন্দই যে মাটি ছাত্রছাত্রীদের কাছে।কৃষ্ণনগরে সরস্বতী ঠাকুরের মূর্তি গাড়িতে নয় কাঁধে করে নিয়ে যাওয়ার রীতি। একেই বলা হয় সাঙ।
সম্প্রতি করোনা আবহে রাজ্যসহ নদিয়ার কৃষ্ণনগরেও দুর্গাপুজো, জগদ্ধাত্রী পূজোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পুজো মণ্ডপ গুলোকে সরকারি বিধি নিষেধ মেনে পুজা করবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

নবোদয় ক্লাবের সেক্রেটারি বিশ্বজিৎ সাহানি বলেন, এখন কোভিড বিধি অনেকটা শিথিল। নেই উচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের বিধি নিষেধ। চলছে সরকারি মিটিং-মিছিল, সবলা মেলা সহ বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান। শপিং মল থেকে শুরু করে ট্রেন চলাচলের মতো সিদ্ধান্ত যখন সরকার নিতে পেরেছে তাহলে সরস্বতী পুজোয় সাঙে বাধা কেন? অন্যদিকে কৃষ্ণনগরের পুজো মণ্ডপ গুলো এ ব্যাপারে অনুমতি চেয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করেছে।

