পিন্টু কুন্ডু , বালুরঘাট, ৫ জুন: প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবৈধভাবে দেদারে চলছে বালি তোলার কাজ। দিনের পর দিন রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদী থেকে বালি চুরি করার অভিযোগ মাফিয়াদের। প্রশাসনিক উদাসীনতাকে কজে লাগিয়ে ট্রাক্টর চালকদের কাছে তোলাবাজি স্থানীয় ক্লাব কর্তৃপক্ষের। শনিবার এই তোলাবাজি নিয়ে দুই পক্ষের বিবাদে তুমুল উত্তেজনা হয় বালুরঘাটের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের চকহরিনা এলাকায়। অভিযোগ, শাসক দলের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশের অঙ্গুলি হেলনেই চলছে এমন অবৈধ কারবার।
জানাগেছে, দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে জলঘরের চকহরিনা এলাকায় আত্রেয়ী নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার কাজ করছে কিছু বালি মাফিয়া। প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজস্ব ছাড়াই চলছে দেদারে এই বালি তোলার কাজ বলে অভিযোগ। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই শনিবার ট্রাক্টর প্রতি ১০০ টাকা করে দাবি করে স্থানীয় ক্লাবের কিছু সদস্য বলে অভিযোগ। যে টাকা দিতে অস্বীকার করায় দুই পক্ষের বিবাদে বন্ধ হয় এলাকায় বালি তোলার কাজ।

যদিও ক্লাব সদস্য অলক হালদার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ক্লাব কর্তৃপক্ষ কোনভাবেই এই ঘটনায় জড়িত নয়।
সুদীপ্ত দাস নামে এক ট্রাক্টর চালক বলেন, ট্যাক্স না দিয়েই এখানে বালি তোলা হয়। যা নিয়ে ঝামেলার জেরেই কাজ বন্ধ।
স্থানীয় এক বালি ব্যবসায়ী বিপুল প্রামাণিক জানিয়েছেন, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি মলয় মন্ডল সহ বেশ কয়েক জন জড়িত রয়েছে এই কারবারে।
তৃণমূলের জলঘর অঞ্চলের সভাপতি প্রভাস বর্মন জানিয়েছেন, ব্যক্তি কেন্দ্রিক কিছু হতেই পারে। তবে দলগত এমন অভিযোগ ঠিক নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি মলয় মন্ডল অবশ্য জানিয়েছেন, কোভিডের কাজ নিয়েই তিনি ব্যস্ত, এব্যাপারে কোনও কিছুই তিনি জানেন না।

