আমাদের ভারত, ১০ জুন: নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার অঙ্কুরহাটিতে দীর্ঘক্ষণ রাস্তা অবরোধ হয়। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনের পরেও অবরোধ চলে। রাত ১১টায় অবরোধ ওঠে। কিন্তু শুক্রবার ফের অবরোধ শুরু হয় বিভিন্ন জায়গায়। আজ রাস্তা সহ রেল অবরোধ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীরা সংঘর্ষে জড়ায়, পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। বিভিন্ন জায়গায় বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করার কথা শোনা যাচ্ছে।

শুক্রবার সকালে ফের অবরোধ হয় উলুবেড়িয়া, ধূলাগড় সহ বিভিন্ন জায়গায়। রাস্তা ছাড়াও শুরু হয় রেল অবরোধ। বোম্বে রোডের কুলগাছিয়া পিরতলা অবরোধের জেরে আটকে পড়ে বহু গাড়ি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলেই পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশও পাল্টা লাঠিচার্জ করে। নিমদিঘি এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। শুক্রবার দুপুর দুটো থেকে দফায় দফায় অবরোধে আটকে পড়ে যাত্রীবাহী গাড়ি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। পাল্টায় অবরোধকারীরা সংঘর্ষে জড়ায়। নরেন্দ্র মোরে পুলিশের একটি কিয়াস্কে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে রেলপথ অবরোধ করা হয়। বাগনান, ফুলেশ্বর, চেঙ্গাইল সহ একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে দূরপাল্লার ও লোকাল ট্রেন। জরুরি কাজে আটকে পড়েন অনেকেই। কতক্ষণে অবরোধ উঠবে তা বুঝতে না পেরে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। সূত্রের খবর, খুব তাড়াতাড়ি ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন হাওড়ার জেলা শাসক।

বৃহস্পতিবারের অবরোধের ঘটনায় জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদার যোগ থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করে এনআইএ তদন্তের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন দেবদত্ত মাজি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সড়ক অবরোধ হওয়ায় হাজার হাজার গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। রাস্তার উপর কুশপুতুল জ্বালানো হয়। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনের পরেও অবরোধ ওঠেনি। উপরন্তু শুক্রবার ফের অবরোধ শুরু হয় বিভিন্ন জায়গায়।

