আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৬ ডিসেম্বর:জলপাইগুড়ি শহরের ‘ভুয়ো’ নার্সিং প্রশিক্ষণ সেন্টারের কর্ণধার শান্তুনু শর্মা এখনও পলাতক। এরই মধ্যে ওই সেন্টারে প্রশিক্ষকের কাজে যুক্ত থাকা পাহাড়পুরের ছোট চৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা রিঙ্কু মহম্মদকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত যুবককে মঙ্গলবার আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানায় পুলিশ। ধৃতকে এদিন জেলা আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে পুলিশ।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর শহরের পাণ্ডা পাড়ার ‘ভুয়ো’ নার্সিং প্রশিক্ষণ সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেয় জেলা স্বাস্থ্য দফতর। অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে ‘ভুয়ো’ প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন সেন্টারের কর্ণধার। অভিযোগ উঠতেই প্রায় তিন মাস থেকে মূল অভিযুক্ত পলাতক। পুলিশের দাবি, সেন্টারের সঙ্গে সরাসরি যারা যুক্ত ছিলেন, প্রশিক্ষক রিঙ্কু, এছাড়াও অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তদন্তের জন্য।
এদিকে পুলিশ জানায়, ধৃত রিঙ্কু টাকা নিয়ে ভুয়ো নার্সিং প্রশিক্ষণ সেন্টারে ছাত্র- ছাত্রীদের ফিজিওথেরাপি শেখাতেন। রিঙ্কু নিজেও এই ভুয়ো নার্সিং সেন্টার থেকেই ফিজিওথেরাপি নিয়ে ডিপ্লোমা করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, রিঙ্কু ভুয়ো সেন্টারে প্রশিক্ষকের কাজ করার পাশাপাশি একাধিক রোগীদের পরিষেবা দিতেন টাকার বিনিময়ে। সরাসরি সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে রিঙ্কুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের পরিজন মকবুল হুসেন বলেন,”কি কারণে রিঙ্কুকে গ্রেফতার করা হলো জানা নেই। কারণ ওই সেন্টার থেকে রিঙ্কু ফিজিওথেরাপি শিখেছিল। সেখানে হয়ত শেখাতেন।”
অভিযোগকারী ভুয়ো নার্সিং প্রশিক্ষণ সেন্টারের ছাত্রীদের তরফে পিংকি রায় বলেন, “আমাদের ধৃতকে সনাক্ত করার জন্য ডেকে পাঠানো হয়। কয়েকজন চিনতে পেরেছেন।’

