জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ১১ আগস্ট:
আজ ক্ষুদিরাম বসুর তিরোধান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে বাংলা। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় পতাকা তোলার পর তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে যথাযোগ্য সম্মান জানানো হয়েছে।
শহিদ ক্ষুদিরাম বসু ছিলেন একজন ভারতীয়-বাঙালি বিপ্লবী। যিনি ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরোধিতা করেছিলেন। ক্ষুদিরাম প্রফুল্ল চাকির সঙ্গে মিলে গাড়িতে ব্রিটিশ বিচারক ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড আছে ভেবে তাকে গুপ্তহত্যা করার জন্যে বোমা ছুঁড়েছিলেন। ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড অন্য একটা গাড়িতে বসেছিলেন, যে ঘটনার ফলে দু’জন ব্রিটিশ মহিলার মৃত্যু হয়, যারা ছিলেন মিসেস কেনেডি ও তার কন্যা। প্রফুল্ল চাকি গ্রেপ্তারের আগেই আত্মহত্যা করেন। ক্ষুদিরাম গ্রেপ্তার হন। দু’জন মহিলাকে হত্যা করার জন্যে তার বিচার হয় এবং চুড়ান্তভাবে তার ফাঁসির আদেশ হয়। ফাঁসি হওয়ার সময় ক্ষুদিরামের বয়স ছিল ১৮ বছর, ৭ মাস এবং ১১ দিন, যেটা তাকে কনিষ্ঠতম ভারতের বিপ্লবী অভিধায় অভিষিক্ত করেছিল।
মহাত্মা গান্ধি ক্ষুদিরামকে সর্মথন করেননি, ইংরেজদের বিরুদ্ধে হিংসার নিন্দা করেন, দুজন নিরপরাধ মহিলার মৃত্যুতে তিনি দুঃখপ্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে, “ভারতীয় জনগণ এই পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা অর্জন করতে পারবে না।” যাইহোক, বাল গঙ্গাধর তিলক, তার সংবাদপত্র কেশরীতে দু’জন নবীন যুবককে সমর্থন করে আওয়াজ তোলেন অবিলম্বে স্বরাজ চাই। যার ফল হয় অবিলম্বে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার দেশদ্রোহিতার অপরাধে তিলককে গ্রেপ্তার করে।

