আমাদের ভারত, ২১ ফেব্রুয়ারি:
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক নাম উঠে আসছে। এবার কালীঘাটের কাকুর নাম সামনে এসেছে। এই ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তাঁর কথায় দেখতে থাকুন আস্তে আস্তে সব নামই সামনে আসবে না হলে পরিবার অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আকারে ইঙ্গিতে তিনি কালীঘাটের বিশেষ পরিবারের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
কলকাতা আইসিসিআর এ বিজেপির ২০২৪ লোকসভার বিস্তারকদের কার্যকরণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবার। এখানে বিজেপির রাজ্য কোর কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও একাধিক বিধায়ক। ওই বৈঠকের শেষে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং সেখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন।
শুধু নিয়োগ দুর্নীতি নয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বলেন তারা ক্ষমতায় এলে রাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের জন্য যে ব্রেক অফ সার্ভিস করেছে সেটা তারা তুলে দিয়ে দু’দিন সরকারি ছুটি হিসেবে দেখিয়ে দেবেন।
সুকান্ত মজুমদার এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে ডাক দেওয়া নিশীথ প্রামানিকের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বাড়ি ঘেরাও এর মতো কর্মসূচিতে তারা বিশ্বাস করেন না। তাঁর কথায়, এই সংস্কৃতিতে আমরা বিশ্বাস করি না। কোচবিহারে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও গন্ডগোল পাকানোর প্রচেষ্টা হয়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর দাবি, এরই প্রতিবাদে তারা বাধ্য হয়ে এদিন শান্তিপূর্ণভাবে অভিষেকের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি নিয়ে ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, এই কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে। তাদের অনেক কার্যকর্তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সুকান্ত বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিকভাবে আইনগতভাবে বিরুদ্ধে লড়বো। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে বিশ্বাসী কোনো রাজনৈতিক নেতা বা নেত্রীর ব্যক্তিগত বাড়ি ঘেরাও আমাদের সংস্কৃতি নয়।”
এরপরই নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে তাপস মন্ডল সুজয় ভদ্রের নাম বলার ঘটনায় সুকান্ত বলেন, সবে তো কাকুর নাম এসেছে এরপর ভাইপো, কাকিমা, পিসি সবার নাম আসবে। একটু ধৈর্য ধরুন অপেক্ষা করুন। এদের নাম না এলে পরিবার তো অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

