আমাদের ভারত, ১৭ নভেম্বর: ডিসেম্বরে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের মতো এক বৃহৎ মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কলকাতায়। ব্রিগেডের মাঠে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাতে দিল্লি গেলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শুক্রবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাধু-সন্তদের এক প্রতিনিধি দল।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সুকান্তবাবুর আজ দিল্লিতে দেখা করার কথা আছে। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীকে অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সে কথাই তিনি জানিয়েছেন। বিমানবন্দর চত্বরে এসে সুকান্তবাবু বলেন, “বিভিন্ন মঠ ও মন্দিরের উদ্যোগে একটি মঞ্চ গঠন করা হয়েছে। তারা ১ লাখ কন্ঠে গীতা পাঠের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের প্রতিনিধিদের নিয়েই আমি দিল্লি যাচ্ছি প্রধানমন্ত্রী কাছে।”

বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও জানান, গীতা জয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ২৪ ডিসেম্বর এক লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন করা হচ্ছে কলকাতায়। সেদিন প্রধানমন্ত্রী যাতে কলকাতায় আসেন এবং গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে এক লাখ মানুষের মাঝে যাতে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন তাই তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। সে কারণেই আজকের দিল্লি যাত্রা।
আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন, তার আগে জনসংযোগে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে মাঠে নেমেছে পদ্ম শিবির। পুজোর বিজয়া সম্মেলনকেও জনসংযোগের অন্যতম হাতিয়ার করে মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন বিজেপি সভাপতি সহ পদ্ম নেতারা। এরপর তাদের সামনে বড় অনুষ্ঠান এই লক্ষকন্ঠে গীতা পাঠ। খাতায় কলমে এটা সম্পূর্ণ একটি অরাজনৈতিক ও ধর্মীয় কর্মসূচি। এটির আয়োজনেও বিজেপি সরাসরি যুক্ত নয়। বিভিন্ন মঠ মন্দির মিলিতভাবে একটি মঞ্চ তৈরি করে এই আয়োজন করছে। তবে লোকসভা ভোটের মুখে এইবিরাট কর্মসূচি যে মানুষকে বিজেপির আরো কাছাকাছি এনে দেবে বা মানুষের আরও কাছাকাছি বিজেপি পৌঁছানোর আরো একটা সুযোগ পাবে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

