কুমারেশ রায়, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ অক্টোবর:
চন্দ্রকোনা ব্লকের ঐতিহাসিক ফাঁসি ডাঙ্গা মঞ্চে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদদের রক্ত লেখা ইতিহাসের মর্মর ধ্বনি আজো শোনা যায়। সেখানে দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হল চন্দ্রকোনাবাসীর। ফাঁসির মঞ্চের দরজা খুলে দেওয়া হল সকলের জন্য। শুক্রবার ফাঁসির মঞ্চের উদ্বোধন করলেন জেলাশাসক রশ্মি কমল।
উল্লেখ্য, এর সংক্ষিপ্ত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হল, ১৮১২ সালে এই স্থানে যুগল কিশোর সহ ১৪ জন এলাকাবাসীকে ফাঁসি দিয়েছিল তৎকালীন ইংরেজ সরকার। এই ঐতিহাসিক ফাঁসি ডাঙ্গা মঞ্চ নতুন রূপে সজ্জিত হল শুক্রবার ৮ অক্টোবর।
স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস, শহিদদের আত্ম বলিদান স্মরণ এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহাসিক স্থানটিকে নতুনভাবে সজ্জিত করার প্রয়াস নিয়েছে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত।

নতুনভাবে সজ্জিত ফাঁসি ডাঙ্গা উদ্যানের উদ্বোধন করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক রশ্মি কমল। জেলাশাসক বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েত এবং স্থানীয় প্রশাসন সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে এম জিবএন আর ই জি এ প্রকল্পের মাধ্যমে এই প্রয়াস নিয়েছেন। এর জন্য জেলাশাসক অত্যন্ত খুশি বলে জানান। ঘাটাল মহকুমার সাম্প্রতিক বন্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন মানুষজন যেন পুজোতে মেতে ওঠেন।
বসনছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুতপা মান্ডি বলেন, স্থানীয় মানুষের অনেকদিনের দাবি ছিল এই উদ্যানটিকে নতুনভাবে সাজানোর। এই উদ্যানের মধ্যে দোলনা, ফোয়ারা এমনকি জিমের ব্যবস্থা আছে। সামান্য কিছু প্রবেশ মূল্যের বিনিময়ে এই উদ্যানে প্রবেশ করা যাবে।

উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রশ্মি কমল ছাড়াও মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস, বিডিও অমিত ঘোষ, চন্দ্রকোনার বিধায়ক অরূপ ধারা, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ, পুরসভার প্রশাসক বিলু মান্না, বসনছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুতপা মান্না, ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিকাশ কর, দাসপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি আশীষ হুদাইত।

