জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ১৬ সেপ্টেম্বর: বামপন্থী ছাত্র-যুবদের একটি মিছিল সংগঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রাজপথে। “নিউ নর্মালে তোল আওয়াজ, চাই সবার শিক্ষা সবার কাজ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষিত ও বেকার ছাত্র-যুবদের দাবি নিয়ে রাজপথে নেমে আন্দোলনে সামিল হল বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠন এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই।
সকলের জন্যে শিক্ষা ও কাজের দাবিতে, বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে দেশের সরকারি শিল্পগুলিকে তাঁবেদার শিল্পপতিদের কাছে বিক্রির বিরুদ্ধে, নয়া বাণিজ্যমুখী জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিলের দাবিতে, শিক্ষায় নৈরাজ্যের প্রতিবাদে, রাজ্যজুড়ে ১০০ দিনের কাজে শাসক দল তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বেকারদের ৬০০০ টাকা বেকার ভাতা প্রদানের দাবিতে, বাংলা আবাস যোজনায়, পঞ্চায়েত-পৌরসভা পরিচালনায়, রেশন বণ্টনে শাসক দলের চূড়ান্ত দুর্নীতি ও দলবাজির প্রতিবাদে, তৃণমূল ও বিজেপি উভয় দলের মদতে রাজ্য ও দেশজুড়ে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষে মানুষে মৈত্রী-ভাতৃত্বের বন্ধনকে মজবুত করতে, শালবনী ও গোয়ালতোড়ের প্রস্তাবিত স্টিল কারখানা চালুর দাবিতে, এসএসসি চালু সহ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে, করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সার্বিক ব্যর্থতার প্রতিবাদ সহ সর্বজনীন স্বাস্থ্য পরিষেবার দাবিতে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই’য়ের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটির আহ্বানে মেদিনীপুর শহরের রাজপথে বিশাল মিছিলে শামিল হয় ছাত্র-যুবরা। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ডিওয়াইএফআই’য়ের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি রঞ্জিত পাল, জেলা সম্পাদক সুমিত অধিকারী,
এসএফআই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক প্রসেনজিৎ মুদি, সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
শহরের কর্মচারি ভবন থেকে শুরু হয় ছাত্র-যুবদের বৃহৎ মিছিল। তারপর বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে কালেক্টরের গেটে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে কালেক্টরেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চলতে থাকে এবং সৌগত পন্ডা, সুব্রত চক্রবর্তী, বেলাল মীর প্রমুখ ছাত্র যুব নেতৃত্বের এক প্রতিনিধি দল জেলাশাসকের দপ্তরে ডেপুটেশন দেন।

