আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ৬ আগস্ট: ট্রেনের স্টপেজ সহ বিভিন্ন দাবিতে রেল অবরোধ করে বিক্ষোভ বীরভূমের মুরারই রেল ষ্টেশনে। আজ সকাল সাড়ে সাতটা থেকে অবরোধ শুরু করে মুরারই নাগরিক কমিটির সদস্যরা। অবরোধের কারণে আটকে পড়ে বেশ কয়েকটি ট্রেন। মুরারই রেল ষ্টেশনেই আটকে রয়েছে সাহেবগঞ্জ – রামপুরহাট প্যাসেঞ্জার ট্রেন। রেল অবরোধ তুলতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে রেল পুলিশের বিশাল বাহিনী।

বিক্ষোভের সময় মুরারই রেল ষ্টেশনের প্যানেল রুমের দ্বায়িত্বে থাকা কর্মরত রেল কর্মীকে বের করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী। এই তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রীর নাম ফাল্গুনী সিনহা। তিনি সদ্য সমাপ্ত গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে মুরারই ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত সদস্য। রেল অবরোধের সময় প্যানেল অপারেটিং এর দ্বায়িত্বে ছিলেন রেল কর্মী অনন্ত সহ। তিনি সমস্ত ট্রেনের যাতায়াতের নজরদারির দ্বায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী ফাল্গুনী সিনহা অবরোধকারীদের সঙ্গে নিয়ে প্যানেল কন্ট্রোল রুমে প্রবেশ করেন। এরপর সেখানে কর্মরত প্যানেল অপারেটরকে চেয়ার থেকে তুলে বাইরে বের করে দেন।

অবরোধ মুরারই রেল ষ্টেশনে চললেও তার আগে ও পরের রেল ষ্টেশনে আসা ট্রেনগুলির উপর নজরদারি রাখা খুব জরুরি। সেই গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্বে থাকা রেল কর্মী বের করে দেওয়া হলো। এই অবরোধের ফলে বন্দেভারত এক্সপ্রেস সহ বেশ কিছু ট্রেন আটকে পড়েছে। অবরোধকারীরা জানান, করোনা পরিস্থিতিতে বহু ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতি মিটে যাওয়ার পরও অনেক ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে না। তাদের দাবি, আবার সেইসব ট্রেন এখানে দাঁড় করাতে হবে। রেল কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ চলবে।

