নির্যাতিতার বাবা মায়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট, রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে পকসো আইন ভঙ্গের অভিযোগ আনল বিজেপি

আমাদের ভারত, ৪ আগস্ট: দিল্লিতে চুড়ান্ত পৈশাচিকতার শিকার হয়েছে নয় বছরের শিশুকন্যা। শুধু গণধর্ষণে নয়, ধর্ষণের পর তাকে খুন করা হয়।এমনকি শিশুটির পরিবারকে না জানিয়ে তার দেহ সৎকারের অভিযোগও উঠেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। এবার সেই নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিপাকে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। তার বিরুদ্ধে পকসো আইন ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে সুর জড়িয়েছে বিজেপি। এই কারণে টুইটার কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠিয়েছে এনসিপিসিআরআই।

আজ দিল্লিতে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান রাহুল গান্ধী। সংবাদমাধ্যমকেও তিনি জানান নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। রাহুল বলেন, ” তারা শুধু ন্যায় বিচার চাইছেন। এছাড়া আর কিছুই চাইছেন না তারা। তাদের অভিযোগ তারা ন্যায় বিচার পাচ্ছেন না। আমরা তাদের সাহায্য করবো, যতদিন না তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।”

রাহুল গান্ধী জানান তিনি নির্যাতিতার পাশে থাকবেন। কিন্তু এরপরেই নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে দেন টুইটারে । একই সঙ্গে তিনি লেখেন,” এই বাবা মায়ের চোখের জল শুধু একটাই কথা বলছে। ওদের মেয়ের জন্য সুবিচার চাই আর এই সুবিচারের রাস্তায় আমি ওদের সঙ্গে আছি।”

এই ঘটনায় রাহুল গান্ধীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপির মুখপত্র সম্বিত পাত্র। তার অভিযোগ নির্যাতিতার বাবা মায়ের ছবি টুইট করে পোকসো আইনের ৭৪ নম্বর ধারা ও জুভেনাইল জাস্টিস আইনে একাধিক ধারা ভঙ্গ করেছেন রাহুল। রাজনীতির স্বার্থেই নির্যাতিতার পরিবারের পরিচয় প্রকাশ্যে এনেছেন। জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

পাত্র দাবি তুলেছেন দ্রুত নোটিশ পাঠিয়ে রাহুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এনসিপিসিআরআই ইতিমধ্যেই টুইটার ইন্ডিয়াকে নোটিশ পাঠিয়ে দিয়েছে। পকসো আইন ভঙ্গের অভিযোগে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার রাতে দিল্লিতে নয় বছরের নাবালিকার গণধর্ষণের পর খুনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্যাতিতার দেহ বাবা-মাকে না জানিয়ে দাহ করে দেওয়ার অভিযোগ ও রয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। কয়েকশো মানুষ সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *