আমাদের ভারত, ২৯ মে: তৃণমূল কংগ্রেসের জনসংযোগের নতুন হাতিয়ার রেডিও। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নবজোয়ার রেডিওকে চুড়ান্ত কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায় সামনে গেলেই তো লোকে চোর চোর বলবে, তাই রেডিও-ই ভালো।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে নবজোয়ার রেডিওর ঘোষণা করেছেন। তৃণমূলের এই উদ্যোগকেই কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “রেডিও-ই ভালো। সামনে গেলেই তো লোকে চোর চোর বলবে, আর গাড়ি আটকাবে। তার থেকে বাঁচার জন্যেই এই রেডিও নাটক। নবজোয়ার কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওটা নব জোয়ার নয়। বিক্ষোভ জোয়ার। ধর্না জোয়ার।
অন্যদিকে বিজেপির জন সংযোগ অভিযান নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমরা মোদী সরকারের ৯ বছরের সাফল্যের খতিয়ান নিয়ে মানুষের কাছে যাবো। আগামী দিনে আমরা কেমন ভারত গড়তে চাই, সেটাও মানুষকে বলব।
আগামী ১২ জুন পাটনায় বিরোধীদের মেগা বৈঠক হবে বলে জানা যাচ্ছে, এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে দিলীপ ঘোষ বলেন, “মনে আছে ২০১৯ সালে ব্রিগেডে একটা সভা হয়েছিল? সব দল এসে মাছ ভাত আর রসগোল্লা খেয়ে গিয়েছিল। ফল কি হয়েছিল? মোদীজি ৩০০ পেরিয়ে গেছিলেন। আর ওই বৈঠকের যে মূল হোতা ছিল তার ১২ টা সিট কমে গেছিল।” তিনি আরো বলেন, “তারা যেনো সতর্ক থাকেন। আমি বলে দিচ্ছি, যারা এইভাবে দেশের গরিমাকে মোদী বিরোধীতার নাম করে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছেন, তারা যেন মনে রাখেন যে যে মোদীর পিছনে লেগেছে, তারা ডুবেছে, সেই নেতা ডুবেছে, সেই দেশ ডুবেছে। ইমরান খানকে দেখুন।”
সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে ফের বোমাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বোমাবাজি পশ্চিমবঙ্গে কোনো খবর না। যেদিন বোমা ফাটবে না, সেটাই খবর। তৃণমূল অবৈধ কারখানা খুলেছে। পুলিশ টাকা নিচ্ছে। এই বোমা নানা জায়গায় সাপ্লাই হয়। কিভাবে সেই বোমা ব্যবহার হচ্ছে, সেটা এখন তৃণমূল হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। সেই বোমার আঘাতে তাদের লোকেরাই মারা যাচ্ছে। “

